পাকা আম পেতে অপেক্ষা মাত্র ১০ দিন, কোন জাতের আম কবে আসছে?

২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৪ PM , আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০২ PM
প্রতিকী ছবি

প্রতিকী ছবি © সংগৃহীত

ভৌগোলিক অবস্থানের বিশেষত্বের কারণে দেশের অন্য অঞ্চলের তুলনায় সাতক্ষীরাতেই প্রতিবছর সবার আগে আম পরিপক্ব হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও দেশের বাজারে আগাম, বিষমুক্ত ও সুমিষ্ট আম পৌঁছে দিতে ‘আম ক্যালেন্ডার’ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত সময় মেনে আম সংগ্রহ নিশ্চিত করা গেলে কৃষক যেমন ন্যায্য মূল্য পাবেন, তেমনি ভোক্তারাও পাবেন নিরাপদ ও পরিপক্ব ফল।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার আনুষ্ঠানিকভাবে এ ক্যালেন্ডার ঘোষণা করেন। সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ এবং আম চাষি সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলার বিভিন্ন আমবাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে কাঁচা আম। গ্রীষ্মের তীব্র রোদে ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে তাদের রং, বাড়ছে মিষ্টি হওয়ার অপেক্ষা। এই আম যাতে অপরিপক্ব অবস্থায় বাজারে না আসে, সে লক্ষ্যেই নির্ধারণ করা হয়েছে আম ভাঙার সুনির্দিষ্ট সময়সূচি।

ঘোষিত ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ৫ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, গোলাপখাস, বৈশাখি, বোম্বাইসহ স্থানীয় বিভিন্ন জাতের আম ভাঙা যাবে। ১৫ মে থেকে সংগ্রহ করা যাবে হিমসাগর ও খিসরা জাতের আম। ২৭ মে নির্ধারণ করা হয়েছে ল্যাংড়া আম ভাঙার তারিখ। আর মৌসুমের শেষদিকে ৫ জুন থেকে বাজারে আসবে আম্রপালি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত সাতক্ষীরার মাটি ও আবহাওয়া আম দ্রুত পরিপক্ব হওয়ার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। সমুদ্রপৃষ্ঠের তুলনায় নিচু ভূমি, লবণাক্ততার প্রভাব মিশ্রিত মাটি এবং তীব্র গরম— সব মিলিয়ে এখানে আম দ্রুত পাকতে শুরু করে। ফলে রাজশাহী বা চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাজারে আসার আগেই সাতক্ষীরার আম পৌঁছে যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এমনকি এই আগাম আমই প্রতিবছর ইউরোপের বাজারে প্রথম দিকের চালান হিসেবে রপ্তানি হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, চাষিদের দাবির প্রেক্ষিতে ল্যাংড়া ও আম্রপালি জাতের আম ভাঙার সময় কিছুটা এগিয়ে আনা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমে পূর্ণ পরিপক্বতা আসবে বলে আমরা নিশ্চিত।

তিনি আরও বলেন, অপরিপক্ব আম ভাঙা ও বাজারজাতকরণ ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি থাকবে। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্ধারিত ক্যালেন্ডার মেনে আম সংগ্রহ ও বাজারজাত করা গেলে সাতক্ষীরার আমের সুনাম যেমন, অটুট থাকবে, তেমনি রপ্তানির ক্ষেত্রেও তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা।

শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জকসু ও বিবিভি এর মধ্যে সমঝোতা…
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬
খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে হামলাকারী ঢাবির ডেপুটি রেজিস্ট্রার ল…
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬
শেরে বাংলা উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা …
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬
বিরোধীদলকে প্রতিমন্ত্রী— ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, তা এখন হচ্ছ…
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চমক রেখে পাকিস্তানের বিপক্ষে দল ঘোষণা বিসিবির
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে বজ্রপাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী আহত
  • ২৬ এপ্রিল ২০২৬