পরীক্ষার পাঁচদিন পর পেলেন প্রবেশপত্র

নির্দিষ্ট সময়ের পর পৌছানো প্রবেশপত্র
নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রবেশপত্র পান ইসমাঈল হোসেন  © সংগৃহীত

চট্টগ্রাম সেনানিবাসের অফিস করণিক পদে মৌখিক, লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার চিঠি সময়মতো না পাওয়ায় পরীক্ষা দিতে যাওয়া হলো না মো. ইসমাইল হোসেনের। ডাক বিভাগের অবহেলার কারণে ওই প্রার্থী পরীক্ষা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুরের ডামুড্যায়। ইসমাইল উপজেলার দারুল আমান ইউনিয়নের আ. রব শিকদারের ছেলে।

অবশ্য ডাক বিভাগের দাবি, সময়মতো চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে ভুক্তোভোগী ইসমাইল জেলা পোস্ট মাস্টার বরাবর নির্দিষ্ট সময়ে প্রবেশপত্র না পৌঁছানোর কারণ জানতে চেয়ে আবেদন করেছেন।

জানা যায়, সেনানিবাসের অফিস করণিক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম সেনানিবাস। গত ২৮ জানুয়ারি ইসমাইল আবেদন করেন। তাকে গত ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য চিঠি দেওয়া হয়, যার ইনডেক্স নম্বর ৫১৫।

মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বিজ্ঞপ্তি দেখে অফিস করণিক পদে আমি আবেদন করি চাকরির জন্য। কিন্তু ডাক বিভাগের কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। গত ৯ ফ্রেব্রুয়ারি চিঠি পাঠানো হলেও আমাকে ২২ ফ্রেব্রুয়ারি দেওয়া হয় পোস্ট অফিস থেকে। চিঠি খুলে জানতে পারি, গত ১৬ ও ১৭ তারিখে পরীক্ষা হয়ে গেছে। এদের কারণে আমি পরীক্ষা দিতে পারিনি। এর আগেও অনেক আবেদন করলেও চিঠি আসেনি। মনে হয়, তারা চিঠি আমাকে দেয় না।’

এ বিষয়ে দারুল আমান ইউনিয়নের রানার জলিল বেপারী বলেন, ‘গত ১৫ তারিখ চিঠিটি পেয়েছি আমি। চিঠির ওপর ইসমাইল লেখা ছিল, পদবি ছিল না। তাই খুঁজে পাইনি প্রাপককে। পরে অনেক খুঁজে পাই। চিঠিটি দেওয়ার পর ইসমাইল জানান, পরীক্ষার তারিখ চলে গেছে।’

আর ডামুড্যা উপজেলা পোস্ট মাস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাজবাড়ির ডাকে ১৫ তারিখ চিঠিটি পাই। সেদিনই দারুল আমান রানারের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেই। কী কারণে বা কেন পাননি তা জানি না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’ তবে এ ব্যাপারে জেলা পোস্ট মাস্টারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য