‘সার্টিফিকেট জীবনে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে’ বলেই ছিঁড়ে ফেলেন বাদশা

২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:২৪ AM
ভিডিও থেকে নেওয়া

ভিডিও থেকে নেওয়া © সংগৃহীত

চাকরি না পাওয়ায় হতাশায় একাডেমিক সব সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলেছেন বাদশা মিয়া নামে নীলফামারীর এক যুবক। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক লাইভে শিক্ষা জীবনে অর্জিত সব একাডেমিক সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলেন তিনি। ভিডিও ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা যায়, বাদশা মিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দর খাতা গ্রামের বাসিন্দা মহুবার রহমানের ছেলে। অভাবের সংসারে ছয় ভাই–বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ২০১৪ সালে তিনি নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

তবে অর্থের অভাবে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে পারেননি। বাদশা ২০০৭ সালে জিপিএ ৩.৯২ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগে দাখিল, ২০০৯ সালে জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগে আলিম এবং ২০১৪ সালে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ২.৬৬ জিপিএ নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। 

সনদ ছেড়ার পূর্বে বাদশা ফেসবুক লাইভে বলেন, আসলে আমার ভাগ্যটাই খারাপ। কত মানুষ ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়া করে খাচ্ছে। আর আমি এত সার্টিফিকেট নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও একটা সরকারি বা বেসরকারি চাকরি জোটাতে পারিনি। সনদপত্র অনুযায়ী চাকরির বয়স শেষ, এখন এগুলো রেখে লাভ কী? 

তিনি বলেন, ছাত্র জীবনে আমার একটা স্বপ্ন ছিল, পড়াশোনা শেষ করে ভালো একটা জব করবো। কিন্তু পড়াশোনা শেষ করে দেখছি বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেটা আমার যোগ্যতা বা পারিপার্শ্বিক যেকোনো কারণেই হোক। এ সার্টিফিকেটের জন্যেই আমাকে এখন কথা শুনতে হয়।

আরও পড়ুন: এক দিনে ৮১ কোর্সের সার্টিফিকেট, রেকর্ড গড়লেন রেহনা

‘এসব সনদ না থাকলে হয়তো আমি সব ধরনের কাজে অংশগ্রহণ করতে পারতাম। যেহেতু এ সার্টিফিকেটগুলো আমার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই এগুলো না রাখাই মনে হয় ভালো’ বলেই এক এক করে তিনি তার সবগুলো সনদ ছিঁড়ে ফেলেন।

এদিকে, বাদশার করা ফেসবুক লাইভটি ইতিমধ্যে কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট গ্রুপগুলোতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে এ লাইভ ভিডিও নিয়ে অনেক ধরনের মন্তব্য করছেন। রবিউল ইসলাম নামে একজনে লিখেছেন, ভাই আপনিতো আমাদের অনেক কিছু বোঝান। ভালো ভালো পরামর্শ দেন। এখন এটা কী করলেন ভাই, মেনে নিতে পারছি না। কষ্ট পাইলাম ভাই।

বাদশার মিয়ার বাবা মহুবার রহমান জানান, চাকরির বয়সসীমা শেষ হওয়ায় বেশ কিছুদিন থেকে হতাশায় ভুগছিল বাদশা। দিন দিন হতাশা বেড়ে যাওয়ায় সে তার একাডেমিক সার্টিফিকেটগুলো কাউকে না জানিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছে।

চট্টগ্রামে জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছাত্রদলে মেধাবী ও রানিং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চায় কবি নজর…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
এনএসইউতে এসএইচএসএস গ্র্যাজুয়েট কলোকিয়াম অনুষ্ঠিত
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করছ…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধিদলের সাক…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
এনডিএম থেকে মহাসচিব মোমিনুল আমিনের পদত্যাগ
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬