প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ PM , আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১২ PM
গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিএলআরআইয়ের সামনে এই মানববন্ধন করেন কৃষক শক্তির নেতাকর্মীরা

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিএলআরআইয়ের সামনে এই মানববন্ধন করেন কৃষক শক্তির নেতাকর্মীরা © সংগৃহীত

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ‘বিএলআরআইয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) সাবেক পরিচালক (গবেষণা) ড. নাসরিন সুলতানা। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে প্রতিবেদনে প্রকাশিত বক্তব্যে উল্লেখ থাকা অভিযোগগুলো থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদলিপিতে ড. নাসরিন সুলতানা বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে দীর্ঘ এক বছর এক দিনব্যাপী যে তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা ও ফলাফল আপনাদের অবগতির জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। উপস্থাপিত লিখিত বক্তব্য ও আমাকে সকল অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদানের পত্র সংযুক্তি করা হয়েছে।

প্রতিবেদকের বক্তব্য
গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) প্রধান ফটকের সামনে জাতীয় কৃষক শক্তির উদ্যোগে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ওই মানববন্ধনে সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ গোলাম মর্তুজা সেলিম এলআরআইয়ের বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

এ সময় সাবেক পরিচালক (গবেষণা) ড. নাসরিন সুলতানাকে ঘিরে নিয়োগ, প্রকল্প ও প্রশাসনিক অনিয়মের বিভিন্ন অভিযোগেরও তদন্ত দাবি করেন তিনি। নাসরিন সুলতানার সাময়িক বরখাস্ত ও পরবর্তী পুনর্বহাল নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে এর প্রকৃত কারণ ও প্রক্রিয়া তদন্তের আওতায় আনার দাবিও জানান।

সংবাদ প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ কৃষক শক্তির এই কার্যক্রম ও বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়। প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই।

এদিকে বক্তব্যের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জাতীয় কৃষক শক্তির সদস্য সচিব কৃষিবিদ গোলাম মর্তুজা সেলিম বলেন, মানববন্ধনে আমি ড. নাসরিন সুলতানাকে সরাসরি অভিযুক্ত করে কোনো বক্তব্য দেইনি। আমার বক্তব্য ছিল মূলত বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত ‘প্রকল্পের নামে দুর্নীতি ও হরিলুট এবং নিয়োগ ও প্রশাসনিক অনিয়ম’ সংক্রান্ত সংবাদের ভিত্তিতে। পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাবেক পরিচালক (গবেষণা) ড. নাসরিন সুলতানাকে ঘিরে কিছু অভিযোগের কথা উল্লেখ ছিল। সেই প্রেক্ষিতে আমি শুধুমাত্র ওই অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছিলাম। একইসাথে তাঁর সাময়িক বরখাস্ত ও পরবর্তী পুনর্বহালের প্রক্রিয়াটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিলাম। এটিকে সরাসরি দোষারোপ হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়, এটি ছিল তদন্তের দাবি।

গোলাম মর্তুজা সেলিম আরও বলেন, ইতিমধ্যে ড. নাসরিন সুলতানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে দীর্ঘ ১ বছর ১ দিনব্যাপী তদন্ত শেষে তাকে সকল অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এই অব্যাহতির সংক্রান্ত কোনো সংবাদ ইতিপূর্বে আমার নজরে আসেনি বলেই আমি পূর্বের পত্রিকার তথ্যের ভিত্তিতে বক্তব্য রেখেছিলাম। পত্র মারফত অব্যাহতি প্রদানের কাগজপত্র হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে।

মাদ্রাসায় শিক্ষক নিজে, ক্লাস নেন মামা, বেতন ভাগাভাগি করে নে…
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
আগামীতে দুটো দল দেখি, এক জামায়াত, আরেকটা আওয়ামী লীগ— যে কা…
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
নীতিমালার গ্যাঁড়াকলে ১৮তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণ ট্রেড ইন্সট্রা…
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার নিয়োগ দেবে প্রাণ গ্রুপ, আবেদন অ…
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
ফেসবুকে ‘জানক স্ট্রিট’ প্রদর্শনের ভিডিও ভাইরাল, ডিবির হাতে …
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
শিশুদের শরীরে যেসব লক্ষণ হতে পারে ক্যান্সারের কারণ, জেনে নিন
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬