যশোর শিক্ষা বোর্ড © ফাইল ছবি
২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১০টি জেলার মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে যশোর জেলা। আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে নড়াইল। শনিবার (৩১ অক্টোবর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী স্বাক্ষরিত ফলাফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তি ও পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জেলাভিত্তিক পাসের হার পর্যালোচনা করে জানা যায়, যশোরে পাসের হার ৫২.৯৪ শতাংশ, খুলনায় ৪৬.৬৫ শতাংশ, চুয়াডাঙ্গায় ৪৬.১৩ শতাংশ, কুষ্টিয়ায় ৪৫.৩৮ শতাংশ, সাতক্ষীরায় ৪৩.৪৫ শতাংশ, ঝিনাইদহে ৪১.৯৮ শতাংশ, মেহেরপুরে ৪০.৭৬ শতাংশ, বাগেরহাটে ৩৮.৮৬ শতাংশ, মাগুরায় ৩৭.৩৬ শতাংশ এবং নড়াইলে ৩৬.৭৮ শতাংশ।
বোর্ডের ফলাফল পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ১০টি জেলার ৫৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২৪০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৫১০ জন নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ৬৬৮ জন শিক্ষার্থী। অসুদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন ৪৩ জন পরীক্ষার্থী।
বিগত চার বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৬৯.৮৮ শতাংশ (জিপিএ-৫ পায় ৮ হাজার ১২২ জন), ২০২৪ সালে ৬৪.২৯ শতাংশ (জিপিএ-৫ ৯ হাজার ৭৪৯ জন) এবং ২০২৫ সালে ছিল ৫০.২০ শতাংশ (জিপিএ-৫ পায় ৫ হাজার ৯৯৫ জন)।
আরও খবর: এক্সামিনেশন সিস্টেম ‘রি-এক্সামিন’ হবে, শাস্তির আওতায় আসছেন পরীক্ষকরাও
সেই তুলনায় ২০২৬ সালে পাসের হার কমে ৪৪.৯২ শতাংশে এবং জিপিএ-৫ কমে ৩ হাজার ২২৮ জনে নেমে এসেছে। এছাড়া এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছে। শতভাগ পাস করেছে তিনটি প্রতিষ্ঠান।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী বলেন, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট না হলে ফলাফল প্রকাশের পরের দিন থেকে সাত দিনের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ১ নভেম্বর হতে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করতে পারবেন।