হলগুলোতে নির্যাতনের ঘটনা প্রশাসনের অযোগ্যতার প্রমাণ: বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রদল

১২ মার্চ ২০২২, ১২:১৪ PM
বঙ্গবন্ধু হল ও ছাত্রদলের লগো

বঙ্গবন্ধু হল ও ছাত্রদলের লগো © টিডিসি ফটো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রদল দাবি করেছে ঢাবির আবাসিক দলগুলোতে নির্যাতনের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং হল প্রশাসনের অযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে।

শনিবার (১২ মার্চ) হল ছাত্রদলের সভাপতি গাজী মো. সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ উল্লাহ নীরব স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে এ মন্তব্য করা হয়।

প্রতিবাদ লিপিতে ছাত্রদল জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শেখ মুজিবুর রহমান হলের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু তালেবসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগ কর্মীদের অত্যাচার-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রদল। আবু তালেবকে যারা নির্যাতন চালিয়েছে তারা সবাই ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের হল সভাপতি মেহেদী হাসান শান্তর অনুসারী।

এতে আরও বলা হয়, অবিলম্বে নির্যাতনকারী শান্ত, বাধন, শাহাবুদ্দিন ও ফাগুনসহ সকল নির্যাতনকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আবাসিক দলগুলোতে নির্যাতনের ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং হল প্রশাসনের অযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে। আমরা সব ধরনের নির্যাতন বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন : ঢাবি বঙ্গবন্ধু হল ডিবেটিং ক্লাব: সভাপতি উজ্জ্বল, সম্পাদক শিমুল

ছাত্রদল দাবি করে, ছাত্রলীগের নতুন হল কমিটি হওয়ার পর থেকে প্রতিটি হলেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে এবং প্রশাসন বরাবরের মতো দায়সারা ভূমিকা পালন করছে। আমরা শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রদল নির্যাতনের শিকার আবু তালেবসহ সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে আছি এবং পাশাপাশি নির্যাতনকারী ছাত্রলীগ কর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে 'গেস্ট রুম' এ শিষ্টাচার শেখানোর নামে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম আবু তালিব। তিনি অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে হলে ছাত্রলীগের ‘গেস্টরুম আদালত’

ছাত্রলীগের একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, তালেবের (ভুক্তভোগী) মুখে জোর পূর্বক সিগারেট জ্বালিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। তারপর হাত দিয়ে না ধরে ও ধোঁয়া না ছেড়ে পুরো সিগারেট শেষ করতে বলে খেতে বলে ছাত্রলীগ কর্মী শান্ত ও বাঁধন। এসময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কান্না করে দেয়। তখন বাঁধন তাচ্ছিল্য করে বলে, ‘কান্দস ক্যান, তুই কি মেয়ে নাকি’। এসময় তালেব অসুস্থ হয়ে পড়লে বাঁধন বলে ‘এই তুই তো মরে যাবি’।

গেস্টরুমে উপস্থিত থাকা একাধিক ছাত্রলীগের কর্মী জানায়, আবু তালিবকে সবচেয়ে বেশি হেনস্থা করেছে অভিযুক্ত চারজন।এছাড়াও প্রোগ্রামে উপস্থিত না থাকার অভিযোগে ১০-১২ জন শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য ৩০১(ক) নম্বর কক্ষ গত তিনদিন থেকে তালাবদ্ধ করে রেখেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হল থেকে বের করে দেয়া শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হলে ঘুরে ঘুরে রাত কাটাচ্ছেন। এই ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তালেব হলের বাইরে আছেন। এদিকে গেস্টরুমে ছাত্রলীগের নির্যাতন সইতে না পেরে ওই হলের দ্বিতীয় বর্ষের ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে হল ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

সব সরকারি কলেজের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের ১০০টি  উত্তরপত্র হারালেন শিক্ষক, ৩ দি…
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চলতি বছর শুরু হচ্ছে না স্থানীয় নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রত…
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জবির আইন বিভাগে ভর্তি: আবেদন থেকে প্রস্তুতি, যা জানা দরকার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোর শিক্ষাবোর্ডে একাদশে ভর্তিতে বিশেষ কোটায় মনোনীত ১৫ জন
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নির্মাণের পরদিনই উঠে যাচ্ছে পিচ, কোটি টাকার সড়কে অনিয়মের অভ…
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬