জিয়ার রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল

জামুকার সুপারিশে সরকারকে কর্ণপাত না করার পরামর্শ ঢাবি শিক্ষকদের

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:১৬ PM

© টিডিসি ফটো

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের খেতাব ‘বীর উত্তম’ প্রত্যাহারের এখতিয়ার জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের শিক্ষকরা। একইসঙ্গে সংগঠনটির সুপারিশে সরকারকে কর্ণপাত না করার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। 

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে জিয়াউর রহমানের খেতাব প্রত্যাহারের সুপারিশের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই মন্তব্য করেন শিক্ষকরা।

সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাদা দলের সাবেক আহবায়ক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, সাবেক আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, অধ্যাপক ড. মোঃ হাসানুজ্জামান, অধ্যাপক এবিএম শহিদুল ইসলাম, মোঃ আলামিন প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান নিজামী, আবুল কালাম সরকার, ড. মামুন আহমেদ, অধ্যাপক আল মোজাদ্দেদী আলফেছানি, অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, গোলাম রাব্বানী, অধ্যাপক আলমগীর হোসেন সম্রাট, শহিদুল ইসলাম, নুরুল আমিন, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, জামুকার দায়িত্ব ছিল এ দেশের মানুষের সঠিক তালিকা তৈরি করা, মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন করা। ইতিহাস বিকৃত করার কারণে যারা জিয়াউর রহমানকে ভুলতে বসেছিল, সে প্রজন্ম আজ জেগে উঠেছে জিয়াউর রহমানকে জানার জন্য। বর্তমান সরকারকে আমরা বলবো, ‘আপনারা জামুকার এই সুপারিশে কর্ণপাত করবেন না’।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের খেতাব কারো দয়ার দান নয়, এটা তার অর্জন। মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ অবদান রেখেই তিনি এই খেতাব অর্জন করেছেন। যথার্থভাবেই বাংলাদেশ সরকার তাকে মূল্যায়িত করেছেন। এই খেতাব বাতিলে জামুকার আইনগত কোনো এখতিয়ার নেই। জামুকার অপতৎপরতার নিন্দা জানাই।

অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানে হচ্ছে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করা। বাবা কি ভুল করছিল তাহলে, যে ভুল প্রধানমন্ত্রী সংশোধন করছেন। শহীদ জিয়া সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আসলে সরকারের দুইটা মন্ত্রণালয় এখন সক্রিয় আছে। একটি জিয়া পরিবার দমন মন্ত্রণালয় অপরটি দুর্নীতি দমন মন্ত্রণালয়। কিন্তু কোনো লাভ নেই জিয়াউর রহমানের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, বিএনপির প্রতি ভালোবাসা আছে থাকবে। কাগজে নয়, খোদাই করে নয়, জিয়াউর রহমানের নাম সকলের হৃদয়ে আছে। এই কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ান, সঠিক ইতিহাস চর্চা করুন। না হলে আগামীতে আপনাদের খেসারত দিতে হবে।

কমতে যাচ্ছে মোবাইল কলরেট?
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
জকসুর উদ্যোগে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন হচ্ছে জবি মেডিকেল…
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
এআই ক্যামেরায় ২ দিনে পাচঁ শতাধিক মামলা
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
খুলনায় পরপর একই স্থানে দুই যুবককে গুলি করে হত্যা
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
অফিসিয়াল প্যাডে বিএনপি নেতাকে অভিনন্দন বার্তা দিলেন উপাচার্য
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুর জেলা পরিষদে বিভিন্ন পদে চাকরি, আবেদন ৩১ আগস্ট পর্যন…
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬