রাবির গবেষক © টিডিসি সম্পাদিত
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞান গবেষকের তালিকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ১৬ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বিশ্বের প্রথম সারির চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার এর সমন্বিত জরিপে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, কনসিস্টেন্সি এবং সহ-লেখকদের প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্রে শক্তিশালী অবস্থান এবং বৈশ্বিক জ্ঞানচর্চায় ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন।
তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকেরা হলেন ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. ইব্রাহিম হোসাইন মন্ডল, ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আলী আকবর, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মির্জা হুমায়ুন কবির রুবেল, গণিত বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক মশিউর রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ড. আবু সালেহ মুছা মিয়া, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক জাকের হোসাইন।
এছাড়াও রয়েছেন সাবেক উপাচার্য ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুল আলিম আল-বারি, ফিসারিজ বিভাগের অধ্যাপক মো. ইয়ামিন হোসাইন, ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মহিতোষ বিশ্বাস, মো. আতিকুর রহমান (বিভাগ জানা সম্ভব হয়নি), রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হাসান আহমাদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস প্রফেসর এ কে এম আজহারুল ইসলাম, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক আতোয়ার রহমান।
আরও দেখুন: কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৩ মোটরসাইকেল
উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘এটা খুবই পজেটিভ দিক আমাদের জন্য। শুধু পজেটিভই না এটা একটা সৌভাগ্যের ব্যাপার, যে এত গুণীজন ব্যক্তি, এত স্কলার ব্যক্তি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। আমরা চেষ্টা করব সামনে রিসার্চের ক্ষেত্রে এইসব ব্যক্তিগুলোকে আরও বেশি বেশি উদ্ভাবনী কাজে সহায়তা করা আর্থিকভাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাশাপাশি তাদেরকে দেখে যেন আমাদের তরুণ বিজ্ঞানীরা অনুপ্রাণিত হয় সেই ব্যবস্থাও আমরা করব। এই বিজ্ঞানীগুলো আসলে প্রচারবিমুখ। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন এই র্যাংকের বিজ্ঞানী থাকা সত্যি সৌভাগ্যের আমাদের জন্য। তাদের জন্য শুভকামনা রইল।’