নাসুম আহমেদ © সংগৃহীত
ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর থেকেই গণমাধ্যমের আলোচনায় বাঁহাতি টাইগার স্পিনার নাসুম আহমেদ। এসবের মাঝেই গতকাল ফেসবুকে রহস্যজনক এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি। নাসুমের সেই পোস্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।
শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নাসুম লিখেন, ‘৩০ !! ৫৯.১০০ ৩৪ ...১৫০। ইনশা আল্লাহ। প্রয়োজন ১৬। হওয়ার পথে রয়েছে।’
হঠাৎ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নাসুমের এমন পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ আলোচনা হচ্ছে। এ পোস্টের মধ্যদিয়ে তিনি কি বোঝাতে চেয়েছেন তা পরিষ্কার জানা যায়নি। তবে নেটিজেনরা নাসুমের পোস্টের বেশ কিছু সমাধান বের করেছেন।
তাদের মধ্যে একজন লেখেন, ৩০ ম্যাচে ৫৯ ইনিংসে ১৩৪ উইকেট। ১৫০ উইকেট হতে ১৬টা প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ, সেটা হওয়ার পথে রয়েছে।
সোশ্যাল মাধ্যমে নেটিজেনদের দেয়া এ সমাধানকে একেবারেই অযৌক্তিক মনে করা যাবে না। কারণ বিসিএলের সর্বশেষ দুই ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ৫ উইকেট নেয়া নাসুমের এই গাণিতিক পোস্টটির মিল রয়েছে প্রথম শ্রেণির পরিসংখ্যানের সঙ্গে। সর্বশেষ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে পূর্বাঞ্চলের হয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। কঠিন সময়ে তাই নিজেকে উজ্জীবিত করতে হয়তো এই পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
তবে আরেক নেটিজেন অবশ্য দিয়েছেন ভিন্ন এক সমাধান। যেখানে টেনে আনা হয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। তিনি বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জার্সি নম্বর ৩০। সে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সুযোগ না পাওয়ায় অবাক। আর ৫৯ নম্বর জার্সি ব্যবহারকারী সৌম্য সরকার চন্ডিকা হাথুরুসিংহের প্রিয় ছাত্র। আর ৩৪ ... ১৫০ মানে হচ্ছে— টি–টোয়েন্টিতে তার উইকেট সংখ্যা ৩৪ কে ১৫০ তে নিয়ে যেতে চান বলে ইনশাআল্লাহ বলেছেন। প্রয়োজন ১৬ কে অ্যাঞ্জেল সংখ্যা হিসেবে লিখেছে। ইচ্ছা পূরণ করতে আল্লাহ পথে সহায়তা করবেন’।
উল্লেখ্য, গুঞ্জন উঠে বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে ১২ অক্টোবর ভারতে অবস্থানকালে আমাদের জাতীয় দলের হেড কোচ হাথুরু সিং ক্রিকেটার নাসুমকে চড় মারেন। যার ফলে কদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মূল্যায়ন কমিটির মুখোমুখিও হয়েছিলেন নাসুম।
আরও পড়ুন: নাসুমকে চড় মারা প্রসঙ্গে পাপন বললেন ‘এটা ডাহা মিথ্যা’
এরপর নাসুমকে টাইগার হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে’র চড় মারা প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘আমাকে বলা হয়েছে (নাসুমকে চড় মারার ঘটনা)। আমি গিয়ে আবার কোচকে খুব শাসিয়েছি। আমি আসলে অনুষ্ঠানটা দেখিনি। আমি তো জানি এটা ডাহা মিথ্যা, এরপর আর তো আমার কিছু বলার নাই। যে জিনিসটা মিথ্যা, এটা নিয়ে কথা বলবো কেন।’