২ কেন্দ্রে ২০১৮ সালের প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা!

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৭:৫৩ PM

© ফাইল ফটো

২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দুটি কক্ষ ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০১৮ সালের অনিয়মিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ সোমবার (০৩ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় পরীক্ষা শেষে এই ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে।

২০১৮ সালের অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে ২০২০ সালের নিয়মিত পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয়ায় সম্ভাব্য ক্ষতির মুখে পড়েছেন নগরীর জগদিস সারস্বত স্কুল এন্ড কলেজের অর্ধ শতাধিক পরীক্ষার্থী। এতে তাদের সার্বিক ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশংকা করছেন তারা। এই ভুলের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। ভুলের দায় স্বীকার করেছেন হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম ফখরুজ্জামান।

এদিকে একইভাবে ভুল হয়েছে স্বীকার করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মামুনুর রশিদ। কেন্দ্রদ্বয়ের এসব পরীক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতির সন্মুখিন না হয় সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানানো হয়েছে।

সারস্বত স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহেআলম জানান, হালিমা খাতুন কেন্দ্রের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের ভুলে তার প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী ২০২০ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে পারেনি। শিক্ষকদের ভুলে ২০১৮ সালের অনিয়মত পরীক্ষার্থীদের সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এ কারণে তারা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। ওই শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়নসহ ভুলের দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের কঠোর বিচার দাবি করেন তিনি।

ভুলের দায় স্বীকার করেছেন হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম ফখরুজ্জামান। ওই কক্ষে দায়িত্বরতরা গাফেলতি করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।

এদিকে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার খবর পেয়ে হালিমা খাতুন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন বরিশাল শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস। কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা ভুল করেছেন উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের প্রাপ্য অধিকার (নম্বর) থেকে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার কথা বলেন বোর্ড চেয়ারম্যান।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মামুনুর রশিদ ও ভুলের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট বৃদ্ধি করা হয়। ফলে সকাল ১০ টায় শুরু হয়া পরীক্ষা বেলা ১টার পরিবর্তে দেড়টায় শেষ হয়।’

এ বিষয়ে কেন্দ্রের সচিব মোছা. রুমিলা ইয়াসমিন বলেন, ‘কিন্তু ভুল করে ১৩৩ জন পরীক্ষার্থীকেই ২০২০ সালের সিলেবাসের প্রশ্নের পরিবর্তে ২০১৮ সালের সিলেবাসের নৈব্যত্তিক ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র কেন্দ্রের সরবরাহ করা হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পরীক্ষা চলার পর বিষয়টি নজরে আসে। তখন বিষয়টি দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে ফোনে জানানো হয়। তার নির্দেশক্রমে পরীক্ষার্থীদেরকে আবারো নতুন করে ২০২০ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়।

কেয়ার বাংলাদেশে চাকরি, আবেদন ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন, উপস্থিতি ৯২ শতাংশ
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করেছে হাম, আমরা অ্যারেস্ট করতে সক্ষম …
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
মেহেরপুরে জিয়া খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর 
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে আর নেই
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
close