লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সেই ২৩৩ জনের নিয়োগ চাই

০৯ জুলাই ২০২০, ০৫:৪৩ PM

একটি দেশ তথা জাতিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রয়োজন দেশের জাতিকে সুশিক্ষিত করা আর এ সুশিক্ষা দেওয়ার প্রথম ধাপই হলো প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ লক্ষ্যে ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজস্ব খাতে সহকারী শিক্ষক পদে (প্রায় ১০ হাজার পদে) সার্কুলার দেওয়া হয়। মানুষ গড়ার কারিগর আদর্শ শিক্ষক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করার লক্ষ্যে সে সময়ে প্রায় ১৪ লক্ষ প্রার্থীর সঙ্গে আমিও আবেদন ফরম পূরণ করি।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল ও ২০১১ সালে প্রকাশিত পুল ও প্যানেলের নিয়োগে আইনি জটিলতার কারণে নিয়োগ কার্যক্রম প্রায় ৪ বছর আটকে থাকে। আইনি জটিলতা শেষে পুল ও প্যানেল থেকে ৪৯০টি রিটের বিপরীতে ৪২ হাজার ৬১১ জন সহকারী শিক্ষক হওয়ার সু্যোগ পায়। এত বড় প্রক্রিয়ায় ৪ বছর লেগে যায়। ফলে ২০১৪ সালের পরীক্ষা ২০১৮ সালে কয়েকটা ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। যা ছিল স্বচ্ছ এবং কলঙ্কমুক্ত আর তার কারণেই এ পরীক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের কোথাও কোন বিতর্কের খবর পাওয়া যায়নি।

ফলে যারা প্রকৃত মেধাবী তারাই কেবল লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। যার মধ্যে ছিল পুরুষ ৯ হাজার ৮৯ এবং মহিলা ২০ হাজার ৪৬৬ অর্থাৎ মোট ২৯ হাজার ৫৫৫ জন। এতে ২০১৪ থেকে ২০১৮ অর্থাৎ চার বছরে নতুন কোন সার্কুলার না পাওয়ায় সকলের মনে শিক্ষক হওয়ার বাসনা আরও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্তভাবে ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ দপ্তর থেকে যখন ৯ হাজার ৭৬৭ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে ফলাফল দেয়। তখন এ সব প্রার্থীদের মধ্যে ৪ বছরে কোন সার্কুলার না পেয়ে যারা সরকারি চাকরি বয়স হারিয়েছে তাদের সহ আমরা যারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি তারা সবাই চার বছর পরেও ২৩৩ জন কম নিয়োগ দেয়ায় হতাশ হয়ে পড়ি।

২০১৮ সালের জুলাই মাসের নতুন সার্কুলারে আমাদের অধিকাংশ লিখিত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়াতে আমরা আর আবেদন করতে পারি নাই। এতে আমাদের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।

তাই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সকল কর্মকর্তার কাছে আকুল আবেদন ও অনুরোধ জানাচ্ছি- আমাদেরকে এই করোনা পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষক সংকট নিরসনের লক্ষে ২০১৪ সালের স্থগিত প্রাইমারী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কম নেওয়া ২৩৩ জন প্রার্থীকে প্রাথমিক পর্যায়ে মানবিক দিক দিয়ে বিবেচনা করে নিয়োগ দান করুন ও পরবর্তিতে বাদ পড়া লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীদেরকে প্যানেল বাস্তবায়নে সুযোগ করে দিন। সেই সাথে মুক্ত করে দিন এই বেকারত্ব নামের অপ্রত্যাশিত শব্দটি থেকে।

লেখক: ২০১৪ সালে স্থগিত প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ সালের লিখত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী
পটুয়াখালী, রাঙ্গাবালী।

বজ্রবৃষ্টি বাড়ার আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
ফেনী কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে ছাত্রদলের সভা, সমালোচনার ঝড়
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
রাতভর ঢাকার হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও মিলল না পিআইসিইউ, হাম…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ববি শিক্ষার্থী, অনির্দিষ্টকালের জন…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় ববি শিক্ষার্থী আহত, ৪ দফা দাবিতে মহাসড়ক অবর…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
রাত পোহালেই ১৮ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষা শেষ হচ্ছে
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬