দাবি আদায়ে মাঠে নামছে প্রধান শিক্ষকরা

২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৮:৫৮ PM

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল জটিলতা নিরসন, শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি, বেতন স্কেল দশম গ্রেড প্রদান, বিদ্যালয়ের সময়সূচি কমানো ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদে স্থায়ীকরণ এবং বিদ্যালয়ের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত করার দাবি জোরদার হচ্ছে। এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য আগামী পহেলা বৈশাখ পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে। এরপর দাবি আদায়ে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রধান শিক্ষকরা।

শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারণী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসােসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়গুলো আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানায় সমিতির সভাপতি মাে.বদরুল আলম মুকুল।

সমিতির মহাসচিব মো. দেলােয়ার হােসেন কুসুম বলেন, জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ গেজেট অনুসারে দেশের সকল সরকারি কর্মচারীগণ টাইম স্কেল সুবিধা পেলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কর্তৃপক্ষের কাছে এ নিয়ে অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোনাে সমাধান পাইনি। সুতরাং এই টাইম স্কেল সুবিধা পাওয়ার জন্য আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, গত ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণি ঘােষণা করলেও এখনো আমরা সেই সুবিধা পাইনি। প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডেই বেতন প্রদান করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর ঘােষণার পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই।

দেলােয়ার হােসেন কুসুম বলেন, দেশের সকল সরকারি কর্মচারী প্রতি তিন বছর পরপর শ্রান্তি বিনােদন ভাতা ও ছুটি পেয়ে থাকলেও শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এ সুবিধা পেতে ৩ বছরের পরিবর্তে ৪ বছর লেগে যায়। এতে সমগ্র চাকরি জীবনে ৩-৪টি শান্তি বিনােদন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।

মহসচিব বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সকল কর্মচারী/কর্মকর্তার পদোন্নতি থাকলেও শুধু প্রধান শিক্ষকদের কোন পদোন্নতি নেই। ফলে উচ্চ শিক্ষিত মেধাবীদের এ পেশায় আকৃষ্ট হচ্ছে না। এতে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান ব্যহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের সময় অধিক হওয়ায় কোমলমতি শিশুদের অধিক সময়ে বিদ্যালয়ে ধরে রাখা যায় না, ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে যাচ্ছে সুতরাং বিদ্যালয়ের সময় সূচি সকাল ১০টা থেকে বিকলে ৩টা পর্যন্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।

দাবি আদায় না হলে আন্দোলন যাওয়ার কথা বলে তিনি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু পূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ না করায় তারা যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত। ইতােমধ্যে অনেকই চলতি দায়িতৃপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্ব নিয়েই অবসরে চলে যাচ্ছেন যা মােটেও কাঙিক্ষত নয়। এই দাবিগুলো সমাধাণ না হলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ আবারও আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাখাওয়াত হােসেন, মাে. মােয়াজ্জেম হােসেন, মােহাম্মদ আইয়ুব, আব্দুর রহমান, নাসিমা বিশ্বাস, জাহিদ হােসেন, মাহবুব, সৈয়দ আলী, জাহাঙ্গীর আলম, রাশেদা খাতুন, আবু কায়সার, মনির হােসেন, নাসির উদ্দিন, আবুল হােসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

 

৩ পরীক্ষার্থীকে পাস করাতে পারেননি ১১ শিক্ষক
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে, বৃষ্টিতে ভিজে …
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
জামিন পেলেন এমপি গাজী নজরুল
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
ট্রেইনি রিলেশনশিপ অফিসার নিয়োগ দেবে ট্রাস্ট ব্যাংক, আবেদন ১…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে যা জানাল সরকার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে নয়, এনটিআরসিএতে…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬