জরুরি সভার ডাক প্রাথমিক শিক্ষকদের, সমাপনীর পর কর্মসূচি আসছে

২৫ নভেম্বর ২০১৯, ১২:১৬ PM

© ফাইল ফটো

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেড নিয়ে অসন্তোষ দূর না হওয়ায় করণীয় নির্ধারণ করতে ফের আলোচনায় বসছেন প্রাথিমিক শিক্ষক নেতারা। মূলত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার পর কর্মসূচি ও অন্য করণীয় বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পরিষদের ১৪ টি সংগঠনের সভাপতি ও সম্পাদকরা আগামী শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) জরুরি সভায় বসছেন। রাজধানীর হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনালে সকাল ৯ টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। 

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, জরুরি সভায় শিক্ষক নেতারা তাদের করণীয় ঠিক করতে আলোচনা করবেন। সভায় মূলত তিন বিষয়ে আলোচনা হবে। এরমধ্যে রয়েছে, শিক্ষকদের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও করণীয়, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয়।  ‍

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের প্রধান মুখপাত্র মো. বদরুল আলম দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে এবং সমাপনীর পর করণীয় ঠিক করতে সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছি আমরা। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ চলছে। তবে এখনো কোন অগ্রগতি হয়নি।’

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে করার দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় রয়েছেন শিক্ষকরা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এমনকি মন্ত্রণালয়ও শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে আন্তরিকতা দেখাচ্ছেন।

তবে শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতেই চলমান পরিস্থিতির সুরাহা মিলতে পারে। সর্বশেষ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) সাবের হোসেন ও পরিচালক (পলিসি) ড. খান মো. নুরুল আমিনের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষকদের সভায়ও বিষয়টি উঠে এসেছে। 

শিক্ষক নেতারা জানান, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের বিষয়ে খুব শীর্ঘ্রই প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত এবং সেখানেই তার সমাধান হবে বলে তারা আশা করছেন। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরার আহবান করেন তারা।

এর আগে মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. জাকির হোসেন মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা বসেন শিক্ষক নেতারা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ থেকে ফিরে এলেই সাক্ষাতের সময় পাওয়া যাবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়।

এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নতুন গ্রেডে যেন কমে না যায় সেজন্য সজাগ রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। একইসঙ্গে শিক্ষকদের দাবিসমূহ পূরণে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

প্রসঙ্গত, সহকারী শিক্ষকদের ভাষ্যমতে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। তাদের দাবি ছিল প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। প্রধান শিক্ষকরা ১১ তম গ্রেড হলে তাদের দাবি ১২ তম। আর প্রধান শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে পৌঁছলে আমাদের ১১তম গ্রেড দিতে হবে।

কিন্তু খসড়া বিধিমালায় সেই দাবির প্রতিফলন নেই। স্বভাবতই নতুন পন্থা খুঁজতে হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, প্রধান শিক্ষকের পরেই তাদের বেতন রাখার দাবি দীর্ঘদিনের। শুধু তাই নয়, বিষয়টি আত্মসম্মানের বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।

মহাকাশযাত্রায় প্রথমবারের মতো স্মার্টফোন ব্যবহারের অনুমতি ন…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সমালোচকরাও বুঝতে পারছেন, আমাদের প্রণীত আইনগুলো ভালো ছিল: আস…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজবাড়ীতে রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
সরকারের প্রথম একনেক সভা শুরু, অনুমোদনের অপেক্ষায় ১৭ প্রকল্প 
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পে স্কেল চেয়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে সরকারি কর্মচারীরা, প…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁয় চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশ সদস্যের ২ পা বিচ্ছ…
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬