শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন © টিডিসি সম্পাদিত
এমন একটি ভিশনারি লিডারের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেয়ে শিক্ষা খাতে পরিবর্তন আনতে না পারলে সেই মন্ত্রিত্বের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ‘এই লিডারের সময়ে যদি আর এই লিডারের মন্ত্রিত্ব পেয়ে কোনো পরিবর্তন না আনতে পারি, তাহলে এই মন্ত্রিত্বের কোনো প্রয়োজন নেই!’
আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি পিএইচডি করার সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) বিষয়ে গবেষণা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষা খাতে বাস্তবভিত্তিক পরিবর্তন আনার দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘এমন একটি ভিশনারি লিডার! সেজন্য বললাম, তিনি স্বপ্ন দেখেন না, তিনি বাস্তবমুখী লিডার।’ তিনি আরও বলেন, মন্ত্রিত্ব তার কাছে ব্যক্তিগত সুবিধা বা বিলাসিতার বিষয় নয়; বরং কাজ করে পরিবর্তন আনার দায়িত্ব।
শিক্ষা খাতে ফলাফলভিত্তিক কাজের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে গতানুগতিক কার্যক্রমের বাইরে দৃশ্যমান ফলাফল প্রত্যাশা করেন তিনি। উপাচার্যদের কাজের মূল্যায়নও ফলাফল ও উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে তার কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন, তিনিও সংশ্লিষ্টদের কাজের অগ্রগতি অনুসরণ করবেন।
পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে সরে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। একইভাবে সংশ্লিষ্টদেরও দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। প্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে না পারলে দায়িত্বে থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।