জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো © সংগৃহীত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী ‘উত্তরণ-২’ বাসে আসন নিয়ে বিরোধের জেরে ২১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সাজ্জাদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ২০তম আবর্তনের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়ের হোসেনের বিরুদ্ধে।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে উত্তরণ-২ বাসের মধ্যে এ ঘটনা ঘটনার সূত্রপাত বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী সাজ্জাদের অভিযোগ, বাসে আগে উঠে খালি আসনে বসেছিলেন তিনি। পরে অন্য দুই শিক্ষার্থী এসে তাঁর কাছে আসন চান। তিনি আসন ছেড়ে না দেওয়ায় তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং কথা-কাটাকাটি হয়।
সাজ্জাদ জানান, বাস থেকে নামার পর শিহাব তাঁর ব্যাগ টেনে ধরেন। একপর্যায়ে শার্ট ধরে মাথার বাম পাশে ঘুষি মারেন। এ সময় জুবায়েরও তাঁকে ঘুষি মারার চেষ্টা করেন এবং ডান কানের পাশে নখের আঁচড় দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে জবির ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী হাসনাইন ও সাজ্জাদের সহপাঠী অনিক এগিয়ে এসে তাঁদের আলাদা করেন।
এ ঘটনায় শিহাব ও জুবায়েরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন সাজ্জাদ। তবে ঘটনার সময় বাংলা বিভাগের তৌহিদ ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের রুম্মান উপস্থিত থাকলেও তাঁরা হামলায় অংশ নেননি বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে শিহাব বলেন, আসন নিয়ে সামান্য কথা-কাটাকাটির ঘটনা পরবর্তী সময়ে বড় করে দেখা হচ্ছে। বাসে উঠে সাজ্জাদকে বসে থাকতে দেখে তিনি আসন পাননি। প্রথমে কিছু না বললেও পরে বাসের মধ্যে হালকা তর্ক হয় এবং নামার পর কিছুটা ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ঘটনাটি গুরুতর কিছু নয়। সাজ্জাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আগে থেকেই ভালো ছিল না বলেও জানান তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, ‘আমরা দুজনের বক্তব্য শুনেছি। তাঁদের ঠিকানা উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন রেখে দিয়েছি এবং বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।’