জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে খুবির গণভোজে অংশ নেবেন পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী

০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৯ PM , আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৬ PM
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে খুবির গণভোজে অংশ নেবেন পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে খুবির গণভোজে অংশ নেবেন পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী © টিডিসি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজ ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দিবস উপলক্ষে ব্যানার টানানো হয়েছে এবং প্রতিটি হলে আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা ৪ হাজার ৯৫৬ জন শিক্ষার্থীকে এ আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলে ১ হাজার ১৮৫ জন, বিজয় ২৪ হলে ১ হাজার ১৩৫ জন, অপরাজিতা হলে ১ হাজার ৫০ জন, খান জাহান আলী হলে ৮৫১ জন এবং খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ হলে ৭৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, মিষ্টি ও সফট ড্রিংকস পরিবেশন করা হবে।

অপরাজিতা হলের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জন্য শুধু একটি স্মৃতি নয় বরং গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে এই দিবসকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এমন একটি আয়োজন করেছে সেটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে যা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও বাড়াবে বলে আমি মনে করি।

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন হলের শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা সব শিক্ষার্থীকে এই আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি আমাদের কাছে ভালো লেগেছে। আমরা আশা করছি খাবারের মান ভালো হবে এবং পুরো আয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করার এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও নিয়মিত আয়োজন করা উচিত।

এ বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক খসরুল আলম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়। এই দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা একটি সম্মিলিত আয়োজন করেছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যত শিক্ষার্থী আবেদন করেছে, তাদের সবাইকে এই আয়োজনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কোনো আবেদনকারীকে বাদ রাখা হয়নি। আমরা শুধু অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আয়োজনের প্রতিটি দিক যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্টি নিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি ও তদারকি অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও মূল্যবোধ চর্চারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রত্যাশা, এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু একটি গণভোজে অংশ নেবেন না বরং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, ত্যাগ ও গণতান্ত্রিক চেতনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করার একটি অর্থবহ সুযোগও পাবেন।

মেডিকেলের জরুরি বিভাগে ঢুকে শিবির-ছাত্রশক্তির কর্মীদের পেটা…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ সদস্যকে এলোপাথাড়ি লাথি, ছাত্রদল নেতাসহ দুজনের নামে মা…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রীদের নিয়ে সৌদি সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত 
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে এনসিপি একাকার হয়ে গেছে : এ্যানি
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
জবি-ন্যাশনাল মেডিকেলে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৭০
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
আজকের এইচএসসিতে অনুপস্থিত ৯ হাজার, বহিষ্কার কত
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬