স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ © টিডিসি সম্পাদিত
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে বিনা মূল্যে আয়োজিত রুশ ভাষা কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোর্স সম্পন্নকারীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে সেন্টার ফর ওপেন এডুকেশন প্রকল্পের আওতায় এ ভাষা কোর্স পরিচালিত হয়। এতে রাশিয়ান ফেডারেশনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাই হিস্ট্রি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা রয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, বিনা মূল্যের এ কোর্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা রুশ ভাষা শেখার সুযোগ পেয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক সহযোগিতা আরও জোরদার করাও এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আব্দুল মতিন, পাবলিক রিলেশন্স ডিভিশনের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক, স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অফিসের এডভাইজার তামান্না জেরিন এবং রুশ ভাষার প্রশিক্ষক ইউলিয়া উচাকিনা। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কোর্সে অংশগ্রহণকারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করা অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের।
আরও দেখুন: বাদ পড়া ২০ প্রার্থী পেলেন প্রাথমিকের নিয়োগপত্র
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভাষা শিক্ষা বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া, একাডেমিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিনিময় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হলে তাদের আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিও আরও সমৃদ্ধ হয়।
রুশ ভাষার কোর্সটি পরিচালনা করেন প্রশিক্ষক ইউলিয়া উচাকিনা। তার পাঠদান ও দিকনির্দেশনায় অংশগ্রহণকারীরা কোর্সটি সম্পন্ন করেন। কোর্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা পরিকল্পিত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে রুশ ভাষা শেখার সুযোগ এবং কোর্স শেষে আনুষ্ঠানিক সনদ পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেন্ট পিটার্সবার্গ ইউনিভার্সিটি, রাশিয়ান ফেডারেশনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ‘মাই হিস্ট্রি’ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানায়।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানায়, ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য এ ধরনের আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।