সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় নেতা © টিডিসি
বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আন্দোলন ছাড়া আমাদের করার আর পথ কী আছে? আন্দোলন আমরা করবো। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই করবো। তবে আমাদের ১১ দল একত্রে দ্রুত বসে সিদ্ধান্ত নেব। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকাআউটের পর সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি ।
তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রস্তাব দিয়েছিলেন, উনারা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন। এটা হবে একটা বিশেষ কমিটি গঠনের মাধ্যমে, সংসদীয় বিশেষ কমিটি সংবিধান সংশোধনের উদ্দেশ্য। আমরা বলেছিলাম, জনগণের কাছে যে গণভোটের জন্য রায় চাওয়া হয়েছে, সেখানে সংবিধান সংশোধনের জন্য রায় চাওয়া হয়নি। রায়টা চাওয়া হয়েছে সংবিধান সংস্কারের জন্য। জনগণ যে রায়টা দিয়েছে আমরা ওইটার পক্ষেই দাঁড়িয়েছি। কাজেই এখানে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কোনো কমিটি এখানে অপ্রাসঙ্গিক। যদি সদিচ্ছা নিয়ে তারা এই প্রস্তাব দিয়ে থাকেন তাহলে এটা এই সংস্কার সংক্রান্ত বিষয় হবে।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আমাদের শর্ত ছিল যদি এই কমিটিকে অর্থবহ একটা কমিটি হিসেবে ফাংশন করতে দেওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে সরকার এবং বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য নিতে হবে। তারা অবশ্যই এটার আপত্তি করেছেন। এরপরে আলোচনা শেষ হয়ে গেছে। আইনমন্ত্রী দাঁড়িয়ে বলেছেন যে, আমি তাদের প্রস্তাবে আংশিক রাজি হয়েছি। অর্থাৎ আমি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যে কমিটির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এটা আমি মেনে নিয়েছি। আমি বলেছিলাম, এটা হতে হবে সংবিধান সংস্কার। আমাকে মিসকোড করার কারণে স্পিকার যখন বিষয়টা সমাপ্তির দিকে গেলেন, আমি বলেছিলাম যে আমার কৈফিয়ত আছে আমাকে সুযোগ দেওয়া হোক। স্পিকার মহোদয় বললেন, আজকে যেহেতু কর্মঘণ্টা যা নির্ধারিত ছিল শেষ হয়ে গেছে। আপনার কথা থাকলে কালকে সম্ভব আপনি বলতে চাইলে। যথারীতি সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী এ ধরনের কোনো বিষয় থাকলে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরে এটাতে আসা যায়।