১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৯ PM
জাতীয় সংসদে প্রশ্ন উত্তর পর্বে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রশ্ন উত্তর পর্বে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী © টিডিসি

২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন উত্তর পর্বে কুমিল্লা ৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল কালামের প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক প্রণীত শ্বেতপত্র বা কমিটির তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ ছিল আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বছর হিসেবে হিসাব করলে, প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১.৮ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে।
 
তিনি আরও বলেন, সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর আমরা দেখেছি যে আমরা একটি অত্যন্ত ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি। তারপরও আমরা দুর্নীতিকে যথাসম্ভব নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি—দুর্নীতির ত্রুটি চেপে ধরা এবং বিভিন্ন খাতে লিকেজ বন্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের ট্যাক্সের টাকা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জনগণের ও দেশের স্বার্থে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা।

তিনি বলেন, পাচারকৃত অর্থ প্রতিবছর একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হয়েছে—এমন অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি) সম্পাদন এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তার অনুরোধ আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া জোরদার করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থপাচারের গন্তব্য হিসেবে প্রাথমিকভাবে যে দেশগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলো হলো—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং (চীন)। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে। বাকি সাতটি দেশের সঙ্গেও চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টাস্কফোর্স কর্তৃক চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে, বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট আমলে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে : প্রধানম…
  • ০১ এপ্রিল ২০২৬
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
  • ০১ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে জামায়াত-এনসিপির ওয়াকআউট
  • ০১ এপ্রিল ২০২৬
দেশেই চালু হচ্ছে পেপ্যাল, কমিটি গঠন
  • ০১ এপ্রিল ২০২৬
অনলাইন ক্লাস চান না প্রাথমিকের শিক্ষকরা, জানালেন মন্ত্রীকে
  • ০১ এপ্রিল ২০২৬
সংবিধান সংশোধনে সব দলের সদস্য নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন হবে: চিফ…
  • ০১ এপ্রিল ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence