ক্রিকেট অধিনায়ক আওয়ামী লীগে, ফুটবল অধিনায়ক বিএনপিতে

১৩ নভেম্বর ২০১৮, ০২:৫২ PM
বাঁ থেকে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও আমিনুল হক

বাঁ থেকে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও আমিনুল হক © টিডিসি ফটো

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনীতিক দল দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। এবার রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরাও ফরম কিনছেন। এই কাতারে সামিল হয়েছেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের দুই ধারার দুইজন জনপ্রিয় অধিনায়ক। একজন বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। আরেকজন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। 

খেলার মাঠের মতো রাজনীতির মাঠও তাদের ভিন্ন। আমিনুল হক সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন ফরম। অন্যদিকে মাশরাফি নিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম। 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। ঢাকা-১৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে চান জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এ অধিনায়ক। এসময় তিনি বলেন, “আশা করি, তারুণ্যের অহংকার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দেবেন।” 

অন্যদিকে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নড়াইল-২ আসনের জন্য আওয়ামী লীগের ফরম কিনেছেন। ১১ নভেম্বর দুপুরে ধানমন্ডি কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন তিনি।  তার মনোনয়ন সংগ্রহ নিয়ে সামাজিক ‍যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তবে ওবায়দুল কাদের জানান, মাশরাফির রাজনীতিতে অংশগ্রহণ খেলায় কোনরকম প্রভাব ফেলবে না। 

মাশরাফি বিন মর্তুজা নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ এ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে তার অভিষেক ঘটে। একই বছর সুযোগ পান ওয়ানডে ক্রিকেটে। নড়াইল এক্সপ্রেস নামে খ্যাত এই ক্রিকেটার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ক্রিকেট দলের সফল অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের অভিষেক ঘটালেন। ক্রিকেট খেলা থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেয়ার আগে রাজনীতিতে যোগ দেয়ায় মাশরাফির সমালোচনা রয়েছে। আবার নেতৃত্বগুণের জন্য তাকে স্বাগত জানাতেও দেরি করেননি অনেকে। 

অন্যদিকে বাংলাদেশ ফুটল দলের অন্যতম সফল গোলকিপার ও অধিনায়ক আমিনুল ১৯৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। জাতীয় দলে অভিষেকের আগেও ১৯৯৪ সালে খেলেছেন মোহামেডান স্পোর্টিং কাবের হয়ে জুনিয়র দলে। ১৯৯৬ সালে জাতীয় দলে তার অভিষেক হয়। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে মালদ্বীপের সাথে ফাইনাল ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন করেন। ২০০৫ সালে জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব পান আমিনুল হক। ২০১০ সালে জাতীয় দল থেকে বিদায় নেন এই সফল ফুটবলার। খেলাধুলাকে বিদায় জানানোর পর রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়ান তিনি।  বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিলে ক্রীড়া সম্পাদক পদ পান আমিনুল। বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সাথে ২০১৭ সালে একবার গ্রেফতারও হন তিনি।

এছাড়া তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জাতীয় ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও মনোনয়ন সংগ্রহ করতে পারেন এমন গুঞ্জন উঠেছিল। তবে  সাকিব আল হাসানকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন না করে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ ও সৌদি সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসে এনএসইউ–বিআইআইএসএসের জ…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসায় শিশুদের শিকলে বেঁধে নির্যাতন, ভাইরাল ভিডিও
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহম…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
এনএসইউতে আন্তর্জাতিক ভাষা অলিম্পিয়াডের চতুর্থ আসরের সমাপনী …
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
নেশাগ্রস্থ ছিলেন তাজমিন হত্যার দায় স্বীকার করা সুমন
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
রাবিপ্রবির ক্যান্টিনে খাবারের বাড়তি দাম, ভোগান্তিতে শিক্ষার…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬