২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এ উপলক্ষে একদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।
রায় ঘোষণার পর গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে দলের পক্ষ থেকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজিব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকরামুল হাসান এই নিন্দা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে এই রায়কে সরকারের ফরমায়েশী রায় উল্লেখ করে নেতারা বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে বরাবরের মত এবারও প্রমান হল দেশের আইন আদালতকে নিজেদের ইচ্ছেমত ব্যবহার করে জিয়া পরিবারকে অপদস্থ করার হাতিয়ার বানিয়েছে এই অবৈধ সরকার। ২১শে আগষ্ট মামলার শুরুতে এমনকি এক এগারো সরকারের বেলাতেও যে তদন্ত হয়েছে তাতে তারেক রহমানের নাম ছিলনা। কিন্তু পরে তদন্তকে প্রভাবিত করে অনেকটা জোর করে ঢোকানো হয় তারেক রহমানের নাম। যেটা বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের নীল নকশার প্রহসনের বিচারের পৈশাচিক শুরু ছিল।
নেতারা আরো বলেন, ‘বিপুল জনপ্রিয় তারেক রহমান জনসমর্থনহীন সরকার প্রধানের চক্ষূশুল, তাই প্রতিহিংসার জ্বালা মিটাতেই অন্যায়ভাবে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। ২০০৮ সালে তৎকালীন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি ও বর্তমান আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী যে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলেন, তাতে উল্লেখ করা হয়েছিল- ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা চালায় হরকাতুল জিহাদ এবং পরিকল্পনায় ছিলেন মুফতি হান্নান। সেখানে কোথাও বিএনপি তথা জনাব তারেক রহমানের নাম ছিলনা। কিন্তু পরবর্তীতে নজিরবিহীনভাবে ২য় বারের মত মুফতি হান্নানকে দিয়ে ১৬৪ ধরায় জোরপূর্বক জবানবন্দী আদায়ের মধ্য দিয়ে জনাব তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করে ফ্যাসীবাদী এই সরকার। যদিও আদালতে নিজের জবানবন্দী প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন মুফতি হান্নান। আর সরকারের নির্দেশে পুরো ঘটনার পিছনে ছিলেন কাহার আকন্দ’।
অন্যদিকে গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের প্রতিবাদে আগামী ১৩ অক্টোবর দেশব্যাপী সকল জেলা, মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।