রামিসার ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট হাতে

২৩ মে ২০২৬, ০৭:৫০ PM , আপডেট: ২৩ মে ২০২৬, ০৭:৫৬ PM
রামিসা আক্তার

রামিসা আক্তার © টিডিসি সম্পাদিত

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন ডিএনএ রিপোর্ট সংগ্রহ করেন। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ভিসেরা ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। রিপোর্টগুলো হাতে পাওয়ায় অভিযোগপত্র তৈরির কাজ চলছে। জানা গেছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল রবিবার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।

গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিন তলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোহেল রানাকে। গত বুধবার সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

যা আছে মামলার জবানবন্দীতে
জবানবন্দি ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। এ সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ এবং আরেকটি কক্ষে বালতির ভেতর তার খণ্ডিত মাথাটি দেখতে পান তারা।

মূলত মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি জবানবন্দিতে জানায়, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না। ঘটনার দিন স্বপ্না আক্তার শিশুটিকে রুমের ভেতর নিয়ে যাওয়ার পর সোহেল তাকে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এরই মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী স্বপ্নাও একই রুমে অবস্থান করছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে রামিসার ওপর চরম নৃশংসতা চালানো হয়। সোহেল ধারালো ছুরি দিয়ে রামিসার মাথা কেটে শরীর থেকে আলাদা করে এবং তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। এ ছাড়া দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহটি বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। নৃশংস এই অপরাধ শেষে কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল রানা।

ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৪,…
  • ২৩ মে ২০২৬
মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়ন বন্ধে কাজ করার ঘোষণা দিলো শায়খ আহমাদ…
  • ২৩ মে ২০২৬
ভারতীয় গরু আসার শঙ্কায় শেরপুরের খামারিরা
  • ২৩ মে ২০২৬
একই নিয়োগ, একই যোগ্যতা, তবুও ৪ মাস বেতনহীন মাদ্রাসার কৃষি শ…
  • ২৩ মে ২০২৬
ছাত্রদলের তিন নেতাকে ষষ্ঠ গ্রেডে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিল সর…
  • ২৩ মে ২০২৬
পূর্ব-তিমুরে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন টিভি, যাচ্ছে ১২তম শিপমেন্ট
  • ২৩ মে ২০২৬