যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকি কি?

০৫ মে ২০২৬, ০৩:৫০ PM , আপডেট: ০৬ মে ২০২৬, ০২:৩৮ PM
প্রফেসর ড. ইউনুস

প্রফেসর ড. ইউনুস © টিডিসি ফটো

চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব বাণিজ্যের টালমাটাল অবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সরকার চুক্তিটিকে একটি বড় অর্থনৈতিক কূটনীতির সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে সেসময়। তবে জাতীয় নির্বাচনের ঠিক ৭২ ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত এই ‘অ্যাগগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ বা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

চুক্তিতে বাংলাদেশের বাণিজ্য শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা, পোশাকখাতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হলেও বিশ্লেষকদের ধারণা চুক্তিটিতে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতিসহ বাংলাদেশ তার কাঁচামালের উৎস, তথ্য নীতি এবং নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ওপর নিজস্ব সিদ্ধান্তের স্বাধীনতায় বড় পরিসরে ছাড় দিয়েছে। সমালোচকেরা একে নির্বাচিত সরকারের হাত-পা বেঁধে ফেলার একটি ‘নীতিগত বিচ্যুতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

চুক্তির সবচেয়ে স্পর্শকাতর দিকটি হলো ৩.৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা) ব্যয়ে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি।

বিশাল ঋণের এই চাপ আড়াল করে বহু বিলিয়ন ডলারের রাষ্ট্রীয় দায়কে ‘কূটনৈতিক মুদ্রা’ হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বাণিজ্য নীতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৩ সালে গৃহীত এয়ারবাস কেনার পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর সফরের সময় আওয়ামী লীগ সরকার বিমানের বহরে বৈচিত্র্য আনতে ১০টি এয়ারবাস এ৩৫০ উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। এর লক্ষ্য ছিল বোয়িংয়ের ওপর অতিনির্ভরতা কমানো, যেকোনো বড় ত্রুটিতে পুরো বহর বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানো এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়ানো। এই পরিকল্পনার অর্থায়নে যুক্তরাজ্যের রপ্তানি অর্থায়ন সংস্থার সঙ্গে যৌথ সমঝোতাও হয়েছিল।

কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর সেই পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে। এরপর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রশাসনের শুরু করা শুল্কযুদ্ধে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেয়, যা দেশের তৈরি পোশাক খাতকে বড় ঝুঁকিতে ফেলে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ৯০ শতাংশই আসে এই খাত থেকে। তিন দফা আলোচনার পর শুল্ক ২০ শতাংশে নামানো হয়, তবে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ১৫ শতাংশে নামানোর চেষ্টা চালায়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন খবর আসে, ভারত ১৮ শতাংশ শুল্ক সুবিধা পেয়েছে। এতে আশঙ্কা তৈরি হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা অর্ডার ভারতে সরিয়ে নিতে পারে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও গবেষণা সংস্থার বিশ্লেষকরা বলছেন, শুল্ক কমানোর বিনিময়ে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে “তুলার বিনিময়ে পোশাক” ধরনের নীতি নিতে হয়েছে এবং ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে। এখন যে ১৪টি চূড়ান্ত হচ্ছে, তা প্রথম ধাপ। ২০২৫ সালের জুনে একটি গোপনীয় চুক্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে শিল্প সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও ইউরোপীয় কূটনীতিকদের দূরে রাখা হয়।

এই চুক্তির আর্থিক ভিত্তি বেশ উদ্বেগজনক। ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিতে গিয়ে সরকার সার্বভৌম গ্যারান্টি দিয়েছে, অর্থাৎ বিমান ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রকে সেই দায় নিতে হবে। ২০২৫ সালের আগস্টে বিমান ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯৩৭ কোটি টাকার মুনাফা দেখালেও নিরীক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের হিসাব নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন, কারণ বিপুল দায় সঠিকভাবে দেখানো হয়নি। ২০২৫ সালের শেষে বিমানের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে দেনা দাঁড়ায় ৮১ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে ৬৩ হাজার কোটি এবং জ্বালানি বাবদ বিপিসির কাছে ১৮ হাজার কোটি টাকা।

বিমান যদি তার পুরো মুনাফা দিয়েও এই দেনা শোধ করতে চায়, তবুও ১৫ বছরের বেশি সময় লাগবে। তাদের ঋণ-ইকুইটি অনুপাত প্রায় ৪:১, যেখানে শিল্পখাতে গড় ১.৫:১। এই অবস্থায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের নতুন দায় রাষ্ট্রীয় আর্থিক ঝুঁকি আরও বাড়াবে। অর্থনীতিবিদরা একে “মোরাল হ্যাজার্ড” বলছেন—অর্থাৎ দুর্বল একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জনগণের অর্থের ওপর নির্ভর করে আরও বড় ঝুঁকি নিচ্ছে।

নিরাপত্তা ঝুঁকিও কম নয়। ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ বিশ্বজুড়ে নানা দুর্ঘটনার কারণে আলোচনায় রয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি রায়ানএয়ার ফ্লাইট অবতরণের সময় হঠাৎ দ্রুত নিচে নেমে যায়। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আলাস্কা এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে দরজার অংশ খুলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরবর্তী তদন্তে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ বোল্ট লাগানোই ছিল না।

২০২৪ সালের মে মাসে একটি উড়োজাহাজে নিয়ন্ত্রণহীন দোলন দেখা যায়। জুনে কোরিয়ান এয়ারের একটি উড়োজাহাজে চাপ কমে গিয়ে সেটি দ্রুত নিচে নেমে আসে, এতে ১৭ জন যাত্রী হাসপাতালে ভর্তি হন। এদিকে বিমান নিজেই ১০ সপ্তাহে ৩৫টি কারিগরি ত্রুটির কথা জানিয়েছে। দক্ষ প্রকৌশলীর ঘাটতি এবং রক্ষণাবেক্ষণে দুর্বলতার কারণে নতুন জটিল উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ঝুঁকি আরও বাড়বে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।

প্রতিযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। প্রতিযোগিতা আইন ২০১২ অনুযায়ী বাজারে একচেটিয়া প্রভাব রোধ করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এয়ারবাস পরিকল্পনা বাতিল করে বোয়িংকে প্রায় একচেটিয়া সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তাও কোনো উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই। যদিও জাতীয় নিরাপত্তার কারণে কিছু ছাড় দেওয়া যায়, বিশ্লেষকরা বলছেন বাণিজ্যিক একটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

চুক্তির প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা দিক নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচনের ঠিক আগে বিমানের পরিচালনা পর্ষদে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং স্বার্থের সংঘাত থাকা সত্ত্বেও বোর্ড অনুমোদন ছাড়াই চুক্তি চূড়ান্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এই উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ শুরু হবে ২০৩১ সালে, যার অর্থ বর্তমান সরকার রাজনৈতিক সুবিধার জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকি ভবিষ্যৎ সরকারগুলোর ওপর চাপিয়ে দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাত। নতুন চুক্তির ফলে ২০২৫ সালের এপ্রিলে আরোপিত ৩৭ শতাংশ শুল্ক প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। আগস্টে এটি ২০ শতাংশে নামানো হয়েছিল, এখন তা ১৯ শতাংশ। এতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারতের (১৮ শতাংশ) সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার অবস্থানে এসেছে।

তবে এই চুক্তির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ—পোশাকে শূন্য শুল্ক, সহজ সুবিধা নয়। এটিকে শর্তসাপেক্ষ বিনিময় হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে। বাংলাদেশ যত পরিমাণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও কৃত্রিম সূতা আমদানি করবে, সেই অনুপাতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এর ফলে দেশের পোশাক শিল্পের কাঁচামাল বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। রপ্তানির মাধ্যমে আয় করা অর্থের একটি বড় অংশ আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবে। এতে স্থানীয় সুতা শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কারণ তারা এতদিন বিভিন্ন দেশ থেকে কম খরচে কাঁচামাল সংগ্রহ করত।

চুক্তির প্রভাব শুধু পোশাক খাতেই সীমাবদ্ধ নয়। এতে দেশের নীতিগত কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন আসছে। খাতগুলো হলো:

ডিজিটাল খাত: বাংলাদেশ সীমান্তের বাইরে তথ্য আদান-প্রদানে সম্মতি দিয়েছে এবং ইলেকট্রনিক সেবায় শুল্ক না আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে তথ্য সুরক্ষা ও ডেটা লোকালাইজেশন নীতি দুর্বল হতে পারে।

নিয়ন্ত্রণ কাঠামো খাত: বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের যানবাহন নিরাপত্তা ও নির্গমন মান গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে ওষুধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনকে স্বীকৃতি দেবে।

বাণিজ্যিক চুক্তি: বাংলাদেশ ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে, যার মূল্য প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

কৃষি খাত: যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, সয়াবিন ও ভুট্টা আমদানিতে বাংলাদেশ ৩.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে।

বিশ্লেষকেরা এই চুক্তির সময় নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করে থাকেন। তাদের মতে, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘমেয়াদি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হওয়ার দিন, ফলে এ বিষয়ে জনমত বা সংসদীয় আলোচনা হয়নি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল হুদা সাকিব বলেন, ‘নীতিগতভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের এমন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা উচিত নয়। তাদের প্রধান দায়িত্ব হলো সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা। নির্বাচনের ঠিক আগে এমন সিদ্ধান্ত স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।’

সমালোচকদের মতে, একটি অন্তর্বর্তী সরকারের এমন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই। এর মাধ্যমে পরবর্তী সরকারকে বাধ্য করা হয়েছে একটি নির্ধারিত পথে চলতে।

অধ্যাপক সাকিব বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারই দেশের দীর্ঘমেয়াদি নীতি নির্ধারণের অধিকার রাখে। ১৫ বছরের চুক্তি ভবিষ্যৎ সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এই চুক্তির ফলে নতুন সংসদ এমন একটি বাস্তবতায় প্রবেশ করবে, যেখানে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো আগেই নির্ধারিত হয়ে গেছে।’

ডিজিটাল ও নিয়ন্ত্রক পরিবর্তন নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের ঠিক আগে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া ভবিষ্যৎ সরকারের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কমিয়ে দিতে পারে। জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকারই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্য।’

সার্বিকভাবে, ১৯ শতাংশ শুল্ক কমানো রপ্তানি খাতের জন্য তাৎক্ষণিক স্বস্তি আনলেও এই চুক্তির ভারসাম্য বাংলাদেশের জন্য সমান নয়। কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি এবং জ্বালানি খাতে ১৫ বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি দেশটিকে একটি নির্দিষ্ট বলয়ে আটকে ফেলেছে। 

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিকল্পনা এবং বাণিজ্যিক চাহিদার পরিবর্তে কূটনৈতিক প্রয়োজনে এমন বিশাল দায়বদ্ধতা গ্রহণ করা হলে তা দেশের দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘস্থায়ী সংকটে ফেলতে পারে। নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি করে করা এই চুক্তির প্রকৃত মূল্য দেশের সাধারণ মানুষকে দীর্ঘকাল ধরে দিতে হতে পারে।

আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. এম আলিমউল্যা মিয়ানের ৯ম …
  • ০৯ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস ফোরাম আইইউবি শাখার নতুন কমিটি
  • ০৯ মে ২০২৬
শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান বৌদ্ধ ভিক্ষুকে গ্রেফতার…
  • ০৯ মে ২০২৬
টিকার সংকট নয়, অব্যবস্থাপনাই বাড়িয়েছে হামের প্রাদুর্ভাব
  • ০৯ মে ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেফতার ১
  • ০৯ মে ২০২৬
এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েকে অনৈতিক সুবিধা, মাসহ গ্রেপ্তার ২
  • ০৯ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9