সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ: জামায়াতের তীব্র প্রতিবাদ

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৭ PM , আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৪ PM
জামায়াতে ইসলামীর লোগো

জামায়াতে ইসলামীর লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে ‘সমঝোতার’ নামে বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সম্প্রতি পরিবহন সেক্টরে মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নামে টাকা আদায়কে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে’ হওয়ায় চাঁদাবাজি নয় বলে মন্তব্য করেছেন। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ, যা সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এমন বক্তব্য রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্কজনক এবং অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করবে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে ‘সমঝোতা’র আড়ালে ঢাকার সুযোগ নেই। এই বক্তব্য রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

জামায়াতের পক্ষ থেকে তিনি স্পষ্ট জানান, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে দলের অবস্থান আপসহীন। দেশবাসী দুর্নীতির ছিটেফোঁটাও বরদাশত করবে না। সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে—মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করতে হবে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি দেশবাসীকে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তুলে কল্যাণে ব্যয় করে। এটাকে চাঁদাবাজি বলা যায় না; চাঁদাবাজি হলো যেখানে বাধ্য করা হয়। এই বক্তব্য নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)সহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা উঠেছে।

অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের সাফ জয়, জামায়াত আমির বললেন— ‘ওয়েলডান’
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’— স্লোগানে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদ…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সাফজয়ী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে প্রধানমন্ত্রী তারেক …
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজনীতির ইচ্ছা থাকলে শিক্ষকতা থেকে ইস্তফা দিয়ে আসুন: ডেপুটি…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
টাইব্রেকারে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নয়, মেয়েকে নিয়ে ইংরেজি সায়েন্স ফিকশন সিনে…
  • ০৪ এপ্রিল ২০২৬