এমপি হয়ে আবর্জনা পরিষ্কার করতে নদীতে নামলেন সুমন © সংগৃহীত
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই নিজ শহরের পরিত্যক্ত খোয়াই নদী পরিষ্কারে নেমেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এর মধ্য দিয়ে তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের কার্যক্রম শুরু করলেন। শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকেই তিনি নিজের শহর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর এলাকায় পরিত্যক্ত খোয়াই নদীতে জমে থাকা ৫০ বছরের আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন।
এতে সহায়তা করছেন বিডি ক্লিন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কয়েকশ কর্মী। এ পরিচ্ছন্নতা কাজের সময় চুনারুঘাট পৌরসভার মেয়র সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও অংশ নেন।
এর আগে ব্যারিস্টার সুমন হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার এলাকার পুরোনো খোয়াই নদের কচুরিপানা অপসারণের মধ্য দিয়ে তার সামাজিক কাজের সূচনা করবেন। এই প্রতিশ্রুতি থেকেই আজ সকাল নয়টা থেকে তার নেতৃত্বে শুরু হয় এ কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ।
যদিও এর আগেই চার দিন থেকে ব্যারিস্টার সুমনের স্থানীয় কর্মী বাহিনী অল্প অল্প করে নদীর কচুরিপানা পরিষ্কার করছিলেন। বিকেল চারটায় সাড়ে ৬০০ স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে কচুরিপানা পরিষ্কারের আজকের কাজ সমাপ্ত হয়। এরপর বিডি ক্লিনের সদস্যরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। অভিযানের প্রথম দিনই নদের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা কচুরিপানামুক্ত হয়।
বিডি ক্লিনের সদস্য পারভেজ আলম বলেন, ব্যারিস্টার সুমনের আহ্বানে আমরা ৬০০ সদস্য কয়েকটি বাসে করে ঢাকা থেকে আজ চুনারুঘাটে এসে পৌঁছাই। স্বেচ্ছাশ্রমে এ কাজ করে আমাদের বেশ ভালো লাগছে। এ সামাজিক কর্মকাণ্ডে সবারই এগিয়ে আসা উচিত।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, অনেকেই কথার কথা সোনার বাংলার কথা বলেন। তবে আমি বাস্তবে প্রমাণ করে দেখাতে চাই, এটা বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত সোনার বাংলাদেশ। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকাবাসীকে কথা দিয়েছিলাম, এ পুরোনো খোয়াই নদ থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করে পুনরায় নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করব। এ কাজের প্রথম ধাপ আজ থেকে শুরু হলো।