তাপমাত্রা নেমেছে ১১ ডিগ্রিতে © সংগৃহীত
সারাদেশে শীতের হিমেল হাওয়া বয়ে চলছে। সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কিছু অঞ্চলে ঘন কুয়াশায় ছেয়ে গেছে। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে সড়কে চলা যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। এরই মধ্যে কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। তাপমাত্রা নেমেছে ১১ ডিগ্রিতে। আবহাওয়া অফিস বলছে শীত আরও বাড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২ সপ্তাহ ধরে এ অঞ্চলের তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছে।
শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের মানুষ। শীত নিবারনের জন্য মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষগুলো শীতবস্ত্র সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
দেখা গেছে, সন্ধ্যার পর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেঁকে থাকছে গোটা জনপদ। শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে পড়েছে নদ নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষজন। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে জেলায় শীত অনুভুত হচ্ছে। ধীরে ধীরে এর তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে, আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, আজ থেকে দেশের কয়েকটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে। সেই সঙ্গে গত কয়েকদিনের তুলনায় সারা দেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। এছাড়াও আগামী কয়েকদিন কুয়াশা থাকবে।
আরও পড়ুন: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা হিরো আলমের
তিনি জানান, বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে এবং পশ্চিমাঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে। রাজশাহী, রংপুর বিভাগ ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলা, সিলেট বিভাগের শ্রীমঙ্গল এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, হাতিয়া ও রাঙ্গামাটি— এইসব অঞ্চলের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ থেকে উত্তরের কয়েকটি জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যেতে পারে।