৬ দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

০৭ জুন ২০২৩, ০৮:১৬ AM , আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫, ১০:০৬ AM
প্রধানমন্ত্রী সভাপতি শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী সভাপতি শেখ হাসিনা © সংগৃহীত

আজ ৭ জুন। ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। 

বুধবার (৭ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২-এ তিনি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। পরে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের পক্ষে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন।
 
তবে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি সম্মেলনের আয়োজক পক্ষ গুরুত্ব দেননি, তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ওই ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
 
এ নিয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা’ বলে চিহ্নিত করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে বঙ্গবন্ধু ১৩ মার্চ ছয় দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে অনুমোদন করিয়ে নেন।

আরও পড়ুন: দুই ওসিকে দায়ী করে চিরকুট লিখে থানার ঝাড়ুদারের বিষপান

ছয় দফার মূল বক্তব্য ছিল: প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে; পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে; সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন করতে হবে।

৬ দফা

এদিকে ৬ দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬ দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন।

ছয় দফা দাবি আদায় প্রসঙ্গে ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগ কর্মীরা যথেষ্ট নির্যাতন ভোগ করেছে। ছয় দফা দাবী যখন তারা দেশের কাছে পেশ করেছে তখনই প্রস্তুত হয়ে গিয়াছে যে তাদের দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে হবে। এটা ক্ষমতা দখলের সংগ্রাম নয়, জনগণকে শোষণের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য সংগ্রাম।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমার বিশ্বাস আছে আওয়ামী লীগের ও ছাত্রলীগের নিঃস্বার্থ কর্মীরা, তাদের সাথে আছে। কিছ সংখ্যক শ্রমিক নেতা, যারা সত্যই শ্রমিকদের জন্য আন্দোলন করে তারাও নিশ্চয়ই সক্রিয় সমর্থন দেবে। এত গ্রেপ্তার করেও এদের দমাইয়া দিতে পারে নাই।’

মেহেরুল্লাহ হলে মাদক, র‍্যাগিং ও ধূমপান নিষিদ্ধ করল যবিপ্রব…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
‘ক্ষ্যাপ’ নিয়ে জাতীয় ফুটবলারদের হুঁশিয়ারি বাফুফে সভাপতির
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য ৬ কমিটি করল সরকার 
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
অগ্নিঝরা জুলাইয়ে অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান চিকিৎসকরা
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রথমবারের মতো ফেলানীর কফিন মোড়ানো ছবি, শেয়ার করলেন জুলকারন…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে যা বললেন মির্জ…
  • ০৯ আগস্ট ২০২৬