মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর © টিডিসি সম্পাদিত
শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগে অধ্যক্ষ-সুপারসহ মাদ্রাসার ৮ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে তাদের এমপিও স্থগিতসহ কেনো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না, আগামী ৩ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত ৭টি পৃথক নোটিশ জারি করেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন—ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ডালচর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আমির হোসেন, একই জেলা ও উপজেলার আমিনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ নুর-নবী, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচগাছি শান্তিরাম বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ আলী আকন্দ, একই জেলা ও উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর কুরুয়াবাদা ইসলামিয়া বালিকা মাদ্রাসার সুপার মো. আনোয়ার হোসেন, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ফজিলা শরীফ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোহাম্মদ আলী, নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল আলম, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আমির হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক জান্নাত আরা বেগম।






