সাক্ষাৎকার
শিক্ষক দিবসে ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ

গণিতে সবসময় ১০০-তে ১০০, ক্লাস টেনের প্রশ্ন হুবহু এইটের পরীক্ষায় দেওয়ার পরও পেয়েছিলেন ৮৭

অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া

অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া © টিডিসি সম্পাদিত

গণিতের প্রতি ছোটবেলার দুর্নিবার আগ্রহ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের শিক্ষকতা এবং পরবর্তী সময়ে দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-ইউআইইউর উপাচার্যের দায়িত্ব
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাজমুস সাদাত
আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৫ PM

গণিতের প্রতি ছোটবেলার দুর্নিবার আগ্রহ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের শিক্ষকতা এবং পরবর্তী সময়ে দেশের প্রথম সারির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-ইউআইইউর উপাচার্যের দায়িত্ব—দীর্ঘ এই পথচলায় রয়েছে নানা অনুপ্রেরণার গল্প। নিজের শিক্ষাজীবন, শিক্ষক ও পরিবার নিয়ে সেই স্মৃতিচারণ করেছেন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া। সাক্ষাৎকারটির চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো—

আপনার শিক্ষাজীবনের শুরুর দিকের কোনো স্মৃতি, বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ঘটনা কি মনে আছে?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: আমার শিক্ষাজীবনের শুরুর দিকের একটি ঘটনা এখনো খুব মনে পড়ে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তো স্কুলে যাওয়া হয়নি। তখন আমার বয়স প্রায় পাঁচ বছর। নার্সারি, কেজি এসব ছিল না। আমি আগে থেকেই বাসায় বসে ক্লাস ওয়ানের বই পড়তাম। বিভিন্ন অঙ্কের বইও পড়তাম।

১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর আব্বা আমাকে ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করানোর জন্য স্কুলে নিয়ে গেলেন। হেড স্যারের রুমে নিয়ে গিয়ে বললেন, আমাকে ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করাবেন। স্যার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবে?’ আমি বললাম, ‘আমি তো ওয়ানের বই পারি।’ তখন স্যার বললেন, ‘ওয়ানের বই পারো? আচ্ছা, শোনাও তো দেখি।’

আমি বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুখস্থ স্যারকে শুনিয়ে দিলাম। স্যার অবাক হলেন। এরপর ছোট ছোট অঙ্ক ধরলেন। সেগুলোও করে দিলাম। তখন স্যার আমার আব্বাকে বললেন, ‘ওকে একটা কাজ করি, টু-তে ভর্তি করে দিই। ওয়ানের বই পারে, খামাখা ওয়ানে দেবেন কেন?’

বাসায় ফেরার সময় মা আমাকে নিয়ে চিন্তা করে আব্বাকে বলেছিলেন, ‘এই ছোট বাচ্চাকে আপনি টু-তে ভর্তি করছেন? ও তো মাথা খারাপ করে ফেলবে, চাপের কারণে মাথা খারাপ হয়ে যাবে।’ আব্বা অবশ্য সরলভাবে বলেছিলেন, ‘ফেল করলে আবার টু-তেই রাখবে, ভালো হবে।’

কিন্তু পরে যখন আব্বা আমাকে আবার রাখার জন্য স্কুলে গেলেন, তখন তাঁকে বলা হলো, ‘আপনি কী বলেন! ও ফার্স্ট হয়েছে। ওকে কীভাবে টু-তে রাখি?’ ফেল তো দূরের কথা, আমি ফার্স্ট হয়েছিলাম।

ক্লাস সিক্সে যখন মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম, তখন আমাদের স্কুলের নিয়ম ছিল আড়াই ঘণ্টার পরীক্ষা। পরে আমরা জেনেছিলাম, আড়াই ঘণ্টায় প্র্যাকটিস করলে তিন ঘণ্টার পরীক্ষা সহজ হয়ে যায়।

এরপর মাধ্যমিক পর্যায়ে গণিতের প্রতি আপনার আগ্রহ কীভাবে তৈরি হলো?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: ক্লাস সিক্সে যখন মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম, তখন আমাদের স্কুলের নিয়ম ছিল আড়াই ঘণ্টার পরীক্ষা। পরে আমরা জেনেছিলাম, আড়াই ঘণ্টায় প্র্যাকটিস করলে তিন ঘণ্টার পরীক্ষা সহজ হয়ে যায়। তখন আমাদের হেডমাস্টার ছিলেন শামসুদ্দিন স্যার। তিনি সে সময় খুব নামকরা শিক্ষক ছিলেন।

১৯৭৬ সালে আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি। হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষায় অঙ্কে ১০০-তে ১০০ পেলাম। তখন অঙ্কে ১০০ পাওয়া খুবই বিরল ছিল। আমি বয়সেও ছোট ছিলাম এবং অল্প বয়সে পড়াশোনা করছিলাম। পরীক্ষার পর দেখি ছেলেপেলে সবাই আমাকে জানালা দিয়ে দেখতে আসছে। পরে সবাই দেখল, আমি নিজের মতো করে অঙ্ক শিখতাম। স্কুলের পড়ার পাশাপাশি নিজে নিজেই অঙ্ক করতাম।

শামসুদ্দিন স্যারের কাছ থেকে এমন কোনো স্মৃতি আছে, যা আপনাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন শামসুদ্দিন স্যার ক্লাসে এসে অঙ্ক ধরছিলেন। বিভিন্ন ধরনের অঙ্ক, ইংরেজিও ধরতেন। স্যার খুবই ভালো ছিলেন। একদিন ত্রিভুজ বানান দিলেন। বললেন, ‘কে পারবা?’ আমি হাত তুললাম এবং পরে লিখে দিলাম।

এর কিছুদিন পরের ঘটনা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিগুলোর একটি। আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। হঠাৎ দেখি আমাকে ক্লাস টেনের একটি ক্লাসে ডাকছে। প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিলাম। শামসুদ্দিন স্যার তখন ক্লাস টেনে ছিলেন। বিভিন্ন ক্লাস থেকে ভালো ভালো ছাত্রদের ডেকে নিয়ে সেখানে দাঁড় করানো হয়েছিল।

স্যার ক্লাস টেনের একটি অঙ্ক বোর্ডে রেখে বললেন, ‘কে অঙ্কটা করে দিতে পারবা?’ আমি হাত তুলে বললাম, ‘স্যার, আমি পারব।’ স্যার বললেন, ‘তুমি পারবা?’ এরপর আমার হাতে চক ধরিয়ে দিয়ে বললেন বোর্ডে গিয়ে করতে।

আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি, অথচ ক্লাস টেনের অঙ্ক। আমি বোর্ডে গিয়ে অঙ্কটি করে দিলাম। এরপর স্যার আমার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করলেন। সেই স্মৃতিটা এখনো আমার মনে আছে। কোন রুমে ঘটনাটি ঘটেছিল, সেটিও আমার স্মৃতিতে আছে।একজন হেড স্যার যখন একটি ছোট বাচ্চার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেন, তখন সেটা খুবই অনুপ্রেরণাদায়ক।

অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া

স্কুলজীবনে গণিত নিয়ে আরও কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা মনে পড়ে?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: হ্যাঁ। আমরা যখন ক্লাস এইটে পড়ি, আমাদের স্কুলের ম্যাথের শিক্ষক ছিলেন মফিজ স্যার। ক্লাস এইটের হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষায় আগের বছরের এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন হুবহু তুলে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ ক্লাস টেনের ম্যাথের প্রশ্ন ক্লাস এইটের হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষায় দেওয়া হয়েছিল।

স্বাভাবিকভাবেই অধিকাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। কারণ এসএসসি পরীক্ষার গণিতের পরীক্ষা তখন তিন ঘণ্টার ছিল, আর আমাদের পরীক্ষা ছিল আড়াই ঘণ্টার। আমি মনে হয় ৮৭ পেয়েছিলাম। আমার জীবনে স্কুল পরীক্ষায় গণিতে সেটিই ছিল সবচেয়ে কম নম্বরের একটি। পুরো ক্লাসে চার-পাঁচজন শুধু পাস করেছিল।

আপনার গণিতের প্রতি আগ্রহ কি শুধু স্কুলের পড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: না। আমার গণিতের প্রতি আগ্রহ অনেক ছোটবেলা থেকেই ছিল। আমি ক্লাস সেভেনে উঠেই নতুন বই হাতে পেলে জানুয়ারির মধ্যেই বই শেষ করে ফেলতাম। বিশেষ করে অঙ্কের বই শেষ করতে আমার খুব ভালো লাগত।

আমার একটা অভ্যাস ছিল, বইয়ের শুরুতে যে নিয়ম ও উদাহরণ দেওয়া থাকত, সেগুলো আগে পড়তাম। এরপর এক্সারসাইজ করতাম এবং উত্তর মিলিয়ে দেখতাম। কেউ আমাকে আলাদাভাবে অঙ্ক শেখায়নি। আমি নিজে নিজেই শিখতাম। এখনো কোনো অঙ্ক ইন্টারনেটে দেখলে আমার আগ্রহ হয়, উত্তরটা কী। পরে কমেন্টে দেখি উত্তরটা ঠিক আছে কি না।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অঙ্কও কি আপনি নিজে থেকে শিখেছিলেন?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: আমার বড় বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। তিনি মাস্টার্সে পড়ার সময় একবার অঙ্ক নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলেন। আমি তখন সম্ভবত কলেজে পড়ি। তিনি কান্নাকাটি করছিলেন যে অঙ্ক পারছেন না।

আমি বললাম, ‘তুমি অঙ্কটা নিয়ে আসো, আমি দেখি।’ তিনি অঙ্ক নিয়ে এলেন। আমার এক-দুই দিন সময় লেগেছিল। আমি পুরোটা পড়ে অঙ্ক করে দিয়েছিলাম।

ওটা সম্ভবত তাঁর মাস্টার্সের কোর্সের কোনো অঙ্ক ছিল। তিনি বোটানিতে পড়তেন, কিন্তু মাস্টার্সের জন্য কোনো অ্যানালাইসিস বা স্ট্যাটিস্টিকস-জাতীয় বিষয় প্রয়োজন হয়েছিল। ম্যাট্রিক্স-সম্পর্কিত অঙ্কও ছিল বলে মনে আছে। তখন ম্যাট্রিক্স ও ডিটারমিন্যান্ট আমাদের তখনও ছিল না। কিন্তু আমি সেগুলো পড়ে বুঝে আমার বোনকে অঙ্ক করে দিয়েছিলাম। আমার স্কুলে সবাই জানত যে আমি ম্যাথের পাগল।

আপনার প্রাথমিক বিদ্যালয় কোথায় ছিল?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: আমার প্রাথমিক স্কুল ছিল মতিঝিলের টিএনটি স্কুলে। আমি ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় ছিলাম। ১৯৬৮ সালে আব্বা ঢাকায় চলে আসেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় থাকার কোনো স্মৃতি কি আপনার মনে আছে?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি শান্তিনগরে ছিলাম। ২৫ মার্চ কালরাতে, যখন রাজারবাগে হামলা হয়, তখন রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে আমরা রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পালিয়ে যাই। সেই স্মৃতি এখনো আমার মনে আছে।

তখন আমার বয়স প্রায় পাঁচ বছর। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের দোতলায় একটি ওয়ার্ডে আমরা আশ্রয় নিয়েছিলাম। আশপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকেও অনেক মানুষ সেখানে এসে আশ্রয় নিয়েছিল। জায়গাটা একেবারে ভরে গিয়েছিল। সেটা সত্যিই খুব বিপদের সময় ছিল। এখন আমরা অনেক কিছু বলি, কিন্তু তখন মানুষের জন্য পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ ছিল, সেটি যারা দেখেছে তারাই বুঝতে পারে। আমার মা সারা রাত ঘুমাননি।

আপনার নিজের পরিবারের শিক্ষাজীবন নিয়েও একটি বিশেষ বিষয় আছে। সে বিষয়ে জানতে চাই।
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই বুয়েট থেকে পড়াশোনা করেছি এবং দুজনই বুয়েটের প্রফেসর। বুয়েট থেকে পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার এবং পরে বুয়েটের প্রফেসর হওয়া দম্পতি হিসেবে আমাদের আগে আর কেউ ছিলেন বলে আমার জানা নেই। আর্কিটেকচারে দুজন বুয়েটের শিক্ষক ছিলেন, কিন্তু বুয়েট থেকে পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বুয়েটের প্রফেসর হওয়া দম্পতি হিসেবে আমরা প্রথম।

বুয়েটের সঙ্গে আপনার ও আপনার পরিবারের আর কোনো বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে?
অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া: হ্যাঁ। ইউআইউ-তে আমি তৃতীয় ভিসি। প্রথম ভিসি ও দ্বিতীয় হলেন অধ্যাপক রিজওয়ান খান ও প্রফেসর চৌধুরী মফিজুর রহমান। আমরা তিনজনই শুধু বুয়েটের নই, বুয়েটের টপার। অর্থাৎ আমাদের ভর্তি পরীক্ষায় যারা টপ করেছিল, আমরা তাদের মধ্যে ছিলাম।

আরেকটি মিল হলো, তিনজনেরই স্ত্রী বুয়েটের। তৃতীয় মিল হলো, তিনজনেরই একটি করে ছেলে। তিনজনেরই একমাত্র ছেলে বুয়েট থেকে পড়েছে এবং তারাও বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় টপ ২০-এর মধ্যে ছিল। আমার ছেলে তৃতীয় হয়েছিল। রিজওয়ান স্যারের ছেলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিল এবং পরে শিক্ষক হয়েছে। মফিজ স্যারের ছেলেও সম্ভবত ১৩ বা ১৪তম হয়েছিল। সেও অল্পের জন্য শিক্ষক হয়নি।

আমার মনে হয়, এটা খুবই বিরল একটি বিষয়। তিনজন বুয়েটিয়ান, তিনজনের স্ত্রী বুয়েটিয়ান, তিনজনের একমাত্র ছেলে বুয়েটিয়ান। আবার আমরা তিনজনই ভর্তি পরীক্ষায় টপটপার এবং আমাদের ছেলেরাও টপ ২০-এর মধ্যে। এটা খুব রেয়ার  বিষয়।

২২ অক্টোবরের ছুটির অফিস কবে করতে হবে, নির্ধারণ করল সরকার
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়াল সরকার
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শখের বসে ‘পর্যটন ওয়েবসাইট’ বানালেন চবির রবিন, শুরুতেই আলোচন…
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
১৫ সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড…
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খাতা পুনঃমূল্যায়নের ফল প্রকাশ
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ফিরল নতুন জাতীয় দিবস, ছুটির তালিকায় আরও একদিন
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬