ডিম্বাশয় ও জরায়ুর ক্যান্সারের বংশগত ঝুঁকি জানাবে ৩ ধরনের জিন পরীক্ষা, খরচ কত?

২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ AM
ডিম্বাশয় ও জরায়ুর ক্যান্সারের বংশগত ঝুঁকি জানা যায় জিন পরীক্ষা

ডিম্বাশয় ও জরায়ুর ক্যান্সারের বংশগত ঝুঁকি জানা যায় জিন পরীক্ষা © এআই সৃষ্ট ছবি

​পরিবারে স্তন, ডিম্বাশয়, জরায়ু কিংবা অন্ত্রের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে নিজেরও বংশগত ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ থাকা খুব স্বাভাবিক। কিছু জিন পরীক্ষা এই ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম ধারণা দিতে পারে। তবে এসব পরীক্ষায় সরাসরি শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে না; বরং ঝুঁকি বাড়াতে পারে- এমন বংশগত জিনের পরিবর্তনগুলো খুঁজে দেখা হয়।

​যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ডিম্বাশয় ও জরায়ুর ক্যান্সারের বংশগত ঝুঁকি যাচাই করতে মূলত তিন ধরনের পরীক্ষা করা হয়-

​১. বিআরসিএ১ ও বিআরসিএ২ জিন পরীক্ষা
এই জিনের ক্ষতিকর পরিবর্তন স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। পরিবারে অল্প বয়সে এ ধরনের ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসক এ পরীক্ষা করতে বলেন। তবে জিনের পরিবর্তন মিললেই যে ক্যান্সার হবে, তা নয়।

​খরচ: বিভিন্ন ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, এই পরীক্ষার খরচ সাধারণত ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

​২. লিঞ্চ সিনড্রোমের জিন পরীক্ষা
এটি একটি বংশগত সমস্যা, যার কারণে অন্ত্র ও জরায়ুর ভেতরের আবরণে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। পরিবারে একাধিক সদস্যের এ ধরনের ক্যান্সার থাকলে ডাক্তাররা এই পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন।

খরচ: লিঞ্চ সিনড্রোম নিশ্চিত করার নির্দিষ্ট কোনো এক দাম সব ল্যাবে পাওয়া যায় না। তাই ল্যাবে কথা বলেই এই পরীক্ষার খরচ ও ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

৩. মাল্টিজিন প্যানেল পরীক্ষা
ক্যান্সারের ঝুঁকির পেছনে একাধিক জিন জড়িত থাকলে একটির পর একটি পরীক্ষা না করে একসঙ্গে অনেকগুলো জিনের পরিবর্তন দেখার জন্য এই প্যানেল টেস্ট করা হয়। তবে মনে রাখা দরকার, সব প্যানেল বংশগত ঝুঁকি দেখায় না; কিছু প্যানেল কেবল আক্রান্ত রোগীর টিউমারের জিন পরিবর্তনে সাহায্য করে।

​খরচ: যেমন আইসিডিডিআর,বি’র ৩২টি জিনের একটি প্যানেলের দাম ২৮ হাজার টাকা। তবে এটি মূলত টিউমার চিকিৎসার জন্য। তাই বংশগত ঝুঁকির পরীক্ষার সঠিক খরচ জানতে ল্যাবে ভালোমতো কথা বলে নেওয়া জরুরি।

আরও খবর: ​সকালে ঘুম থেকে উঠে ভেজানো ছোলা খাওয়ার ৬ উপকারিতা

​কারা পরীক্ষা করানোর কথা ভাববেন?
আনন্দবাজারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবারে অল্প বয়সে ক্যান্সার হওয়া, একাধিক সদস্যের একই রোগ থাকা কিংবা একজনের একাধিক ক্যান্সার ধরা পড়ার ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সম্ভব হলে পরিবারে যিনি ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁর পরীক্ষা দিয়ে শুরু করলে অন্য সদস্যদের ঝুঁকি বোঝা সহজ হয়।

​জিন পরীক্ষার ফল মানেই ক্যান্সার নয়
জিন পরীক্ষায় ত্রুটি পাওয়া মানেই নিশ্চিত ক্যান্সার নয়, আবার নেতিবাচক ফল মানেই সব ঝুঁকি শেষ নয়। বংশগত ঝুঁকি শনাক্ত করা আর শরীরে বর্তমানে ক্যান্সার আছে কি না তা এক জিনিস নয়। 

তাই পরীক্ষা করানোর আগে অবশ্যই ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং পরীক্ষাটি বংশগত ঝুঁকির জন্য কি না, তা ল্যাব থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন। পরিবারের কারো ক্যান্সার আছে মানেই আপনার হবে, এমন ধারণা একেবারেই সঠিক নয়।

বার্ষিক পরীক্ষা না থাকা প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের নতুন ৪ বইয়ে ক…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
অবসরের পর যে পরিচয়ে স্মরণীয় হতে চান লিওনেল মেসি
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ওসির সঙ্গে তর্কে জড়ানোর পর রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে পুলিশের …
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
জামায়াতের নায়েবে আমিরের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকড
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
গাছ কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল আলেমের
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
বেলা বাড়তেই স্বাভাবিক হচ্ছে খাগড়াছড়ির যান চলাচল, বন্ধ দূরপা…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬