প্রাথমিক পর্যায়ে টিকা পাবে ৩০ লাখ শিক্ষার্থী

টিকাদান
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক  © সংগৃহীত

আমাদের কাছে ৬০ লাখ টিকা আছে, যার মধ্যে আমরা প্রাথমিকভাবে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীকে পরীক্ষামূলক করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি স্কুলের ১২ থেকে ১৭ বয়সি ১২০ জনকে টিকা দেওয়ার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিজ জেলা মানিকগঞ্জ থেকে শুরু হয়েছে।

দেশের প্রথম টিকা গ্রহণকারী শিক্ষার্থী মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্র মোবাশ্বির রহমান রাফি (১৬)। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ওই ছাত্রকে করোনার টিকা দেওয়া হয়।

এই সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে টিকা দেয়া। তারপর আরেকটি স্বপ্ন ছিলো শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া। সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে।

তিনি বলেন, আমেরিকার তৈরি নিরাপদ একটি টিকা শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে। খোদ আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই টিকা খুবই নিরাপদ। আগামীতে শিক্ষার্থীদের এক কোটি টিকা দিতে পারবো। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন থাকেন। তাদের এই উদ্বিগ্ন নিরসন করতে টিকার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই টিকাদান কর্মসূচি পরবর্তী সময় দেশের ২১টি স্থানে শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে। রাজধানীতে বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে টিকাদান কর্মর্সূচি শুরু করা হবে। করোনাভাইরাস থেকে শিশুদের নিরাপদ রাখতেই এই টিকার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে এক কোটি শিশু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব শিশুদেরও টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে ইতোমধ্যে ৫ কোটি মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশ মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া সময়মতো টিকা পেলে আগামী এপ্রিলের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও মন্ত্রী বলেছেন।

দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। এখন সংক্রামণের হার ২.৪। মৃত্যুর সংখ্যাও অনেক কম বলে স্বাস্থমন্ত্রী জানান।


মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ