জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান © সংগৃহীত
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রিকনসিলিয়েশন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সবকিছু বিচারিক প্রক্রিয়াতে আছে, সেটাতেই চলছে। এই আলাপ আমি রিপিট করছি—নূনতম কোন সম্ভাবনাও যদি থাকা থাক, মানে সম্ভাবনা থেকে থাকে, সেটা আওয়ামী লীগকে তার জায়গা থেকে বলার কথা ছিল। কিন্তু আজকে আমরা যে জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি, দুই বছর পার হয়ে গেছে এবং তাদের যে আচরণ, আমার মনে হয় এটা খুব স্পষ্ট।
তিনি বলেন, এটার আদৌ কোনো সম্ভাবনার আছে কিনা, কোনো সম্ভাবনা আমি ব্যক্তিগতভাবে দেখি না। আবারো বলছি, ক্ষমা চাওয়া অনুতাপ দূরে থাকুক, তারা হুমকি দিচ্ছেন, তারা বাংলাদেশের সহিংসতা নানাভাবে উসকে দেয়ার চেষ্টা করছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে একথা বলেন তিনি।
জাহেদ উর রহমান বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এয়ারপোর্টে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছে। তার অপরাধ হচ্ছে, তিনি শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব কেন নিয়েছেন। ডক্টর ইউনুসের সরকারকে নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনা যে কারো থাকতে পারে। আমরা এদেশে বসে অনেকেই সে সমালোচনা করেছি। এই প্রতিটা শুধু আমরা যদি ভুল না করি আমাদের প্রাথমিক গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একই ধরনের আচরণ করার চেষ্টা করা হয়েছে আমেরিকাতে।
আরও খবর: চুয়েটে ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ১১ জন, সকালে খাবার পৌঁছে দিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা
তিনি বলেন, যে দলটা এ ধরনের কাজ করে বেড়ায় এবং দেশের ভেতরে সন্ত্রাস এবং নানান রকম সহিংসতা উসকে দেয়ার চেষ্টা প্রকাশ্যে তাদের দলের প্রধান করে থাকেন, সেখানে আসলে রিকনসিলিয়েশনের আলাপের ব্যাপারে সরকারের যা বোঝা তা বোঝা হয়ে যায়। সরকারের দিক থেকে ইনিশিয়েটিভ নিয়ে তো কোন প্রশ্নই আসে না।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, উনারা ডিসাইড করেছেন উনারা বিচার করবেন এবং আমরাও ডিসাইড করেছি কারণ মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার হতে হবে। কোর্ট হয়েছে, সেখানে তাদের বিচারের রায় পর্যন্ত রয়েছে। পরবর্তীতে আরো যা যা আছে দল হিসেবে পারফর্ম করতে পারবে কিনা, টিকে থাকবে কিনা সেটার জন্য ইনফ্যাক্ট আমাদের আইসিটিতে বিচার হবে সেটা নিয়েই সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।