পে-স্কেলে আরও এক ধাপ অগ্রগতি, প্রজ্ঞাপন আইন মন্ত্রণালয়ে

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ PM , আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ PM
পে-স্কেল

পে-স্কেল © ফাইল ফটো

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রজ্ঞাপন জারির ক্ষেত্রে আরও একধাপ অগ্রগতি হয়েছে। জানা গেছে, প্রজ্ঞাপনের খসড়া রেজোল্যুশন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় (বিজি প্রেস) হয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানোর পর বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ে রয়েছে। আইনি যাচাই শেষ হলে এসআরও নম্বর দিয়ে দ্রুতই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে-স্কেল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক কর্মকর্তা জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর রেজোল্যুশনটি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসে। এরপর প্রজ্ঞাপনটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সেখানে এর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশে সরকারের পক্ষ থেকে অযথা সময়ক্ষেপণের সুযোগ নেই। প্রশাসনিক ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, চলতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে আদেশ জারি হতে পারে। তবে ভেটিংসহ কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি থাকায় গেজেট প্রকাশে কিছুটা সময় লাগছে।

সর্বনিম্ন গ্রেডে বেতন ২০ হাজার টাকা
প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলকভাবে বেশি। ২০তম গ্রেডে বর্তমানে ৮ হাজার ২৫০ টাকা মূল বেতন থাকলেও নতুন কাঠামোয় তা বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে। যদিও নতুন বেসিকের পুরো সুবিধা একবারে কার্যকর হবে না। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যেই তিন ধাপে বাড়তি অর্থ মূল বেতনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিন ধাপে বাড়বে বেসিক
১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে বর্ধিত অংশের অর্ধেক প্রথম ধাপে, এক-চতুর্থাংশ দ্বিতীয় ধাপে এবং বাকি এক-চতুর্থাংশ তৃতীয় ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ক্ষেত্রে বাড়তি অংশ ৪০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ হারে তিন ধাপে নতুন বেসিকের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নতুন ভাতা কার্যকর ২০২৮ সালে
নতুন পে স্কেলে বাড়তি বেসিক কার্যকর হলেও সব ধরনের ভাতা একই সময়ে নতুন হারে দেওয়া হবে না। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন কাঠামোয় দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হওয়ার পর প্রজ্ঞাপন জারি হলে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও আরও স্পষ্ট হবে।

ট্যাগ: পে-স্কেল
মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরি…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিকে অর্ধলাখ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দরকার
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ছাত্রদল নেতাকে হত্যা, ওসি প্রত্যাহার
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা-বরিশাল ১৪১ কিমির ভাড়া ৪০০ টাকা, কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ব্র্যাক ব্যাংকে নিয়োগ, আবেদনের বাকি মাত্র ২ দিন 
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে নিরাপদ সড়ক দিবস ‎উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলো…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬