জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারও অবদান অস্বীকার করা উচিত না: মাহফুজ

দলীয়-আদর্শিক বিরোধের জের
০৪ আগস্ট ২০২৫, ০৭:১৫ PM , আপডেট: ০৫ আগস্ট ২০২৫, ০৫:৫৭ PM
মাহফুজ আলম

মাহফুজ আলম © ফাইল ফটো

জুলাই আমাদের সবার উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, দলীয় বা আদর্শিক বিরোধের জেরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কারো অবদান অস্বীকার করা উচিত না। আজ সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। 

মাহফুজ আলম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শিবির ভূমিকা রেখেছে তাদের 'জনশক্তি' ও কো-অর্ডিনেশন দিয়ে। বিভিন্ন প্লাটফর্ম থেকে শিবিরের কর্মীরা অভ্যুত্থানকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, ক্ষেত্র বিশেষ চালিয়ে নিয়ে গেছেন। ছাত্রদল ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ফ্যাসিস্ট বাহিনীকে প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ স্পটগুলোতে লড়াই করেছে, তৃণমূলে লীগকে প্রতিরোধ করেছে। 

‘‘ছাত্রশক্তি কো-অর্ডিনেট করেছে মাঠে-সামনে থেকে, সিভিল সোসাইটি আর কালচারাল সার্কেলে এবং আস্থা তৈরি করতে পেরেছে। ছাত্র ইউনিয়নের একাংশ, ছাত্র ফেডারেশন ও অন্যান্য বাম ছাত্র সংগঠনগুলো মাঠ ও বয়ান ধরে রাখছে, বামপন্থী সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো জুলাইয়ের শেষ দিনগুলোতে মাঠে নেমে জনগণের মধ্যে  সাহস সঞ্চার করেছে।’’

তিনি বলেন, আলেম ও মাদ্রাসা ছাত্ররা রাজপথে নেমে দীর্ঘসময় প্রতিরোধ ধরে রেখেছিলেন। যাত্রাবাড়ী যার উজ্জ্বল উদাহরণ। শ্রমজীবীরা এবং প্রাইভেটের শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধের স্পটগুলোতে দীর্ঘসময় লড়াই করেছে, রিকশাচালক ও নিম্ন, নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষেরা প্রতিরোধ গড়েছেন। 

‘‘নারীরা রাজপথে লড়েছে এবং আহতদের সহযোগিতা করেছে। অভিভাবক বিশেষ করে মায়েরা, বোনেরা কার্ফিউর দিনগুলোতে এবং জুলাইয়ের শেষ থেকে রাস্তায় নেমে সাহস জুগিয়েছেন।’’

মাহফুজ বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধের স্পটগুলোতে নিজেরাই নেতৃত্ব দিয়ে অভ্যুত্থান এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাংবাদিক সমিতি ও অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন অভ্যুত্থানের পক্ষে নীরব অথচ কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রলীগের একটা অংশ বিদ্রোহ করে অভ্যুত্থানে যুক্ত হয়েছেন। 

‘উঠতি মধ্যবিত্ত জুলাইয়ের শেষদিকে নেমে অভ্যুত্থানকে আরো ব্যাপক করেছেন। পেশাজীবী সংগঠনগুলো এবং সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া কর্মীরা জুলাইয়ের শেষদিকে একাত্মতা প্রকাশ করে অভ্যুত্থানকে শক্তিশালী করেছেন। প্রবাসী শ্রমিক, চাকুরে এবং প্রফেশনালরা জুলাইকে, বাংলাদেশের লড়াইকে বৈশ্বিক করতে ভূমিকা রেখেছেন। সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার এবং র‍্যাপাররা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন, অনুপ্রাণিত করেছেন। জনগণের লড়াইয়ের কার কোন অবদান অস্বীকার করবেন?’’

অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় এনসিপি’র
  • ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
  • ২৫ এপ্রিল ২০২৬
তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জবি শাখার উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত
  • ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ছাত্রদলের মারধরে ফেটে গেছে ঢাবির হল সংসদ নেতার কানের পর্দা 
  • ২৫ এপ্রিল ২০২৬
কৃষ্ণচূড়ার রঙে রাঙা বরগুনা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস
  • ২৫ এপ্রিল ২০২৬
সন্তানের সামনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারী
  • ২৫ এপ্রিল ২০২৬