বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন লিওনেল মেসি। বিদায়ের মুহূর্তে আর্জেন্টাইন এই মহাতারকার পেছনে ৪টি বড় ট্রফি, অসংখ্য ব্যক্তিগত অর্জন এবং এমন কিছু রেকর্ড থাকবে—যেগুলোর অনেকটাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যেতে পারে। এর মধ্যে ৪টি রেকর্ড বিশেষভাবে অনন্য হয়েই থাকবে।
দেশের হয়ে সর্বোচ্চ গোল
আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি, অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য এই রেকর্ড ভাঙা বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ। গাব্রিয়েল বাতিস্তুতার ৫৬ গোলের রেকর্ড পেরিয়ে মেসি এখন ১২৫ গোলে দাঁড়িয়ে আছেন। ২০৭ ম্যাচে তার গোলের গড় ০ দশমিক ৬০।
বর্তমানে সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে মেসির সবচেয়ে কাছাকাছি আছেন লাউতারো মার্তিনেজ। আর্জেন্টিনার এই ফরোয়ার্ডের গোলসংখ্যা ৪২।
আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ
আলবিসেলেস্তেদের জার্সিতে উপস্থিতির সংখ্যাতেও সবার ওপরে মেসি। শুধু আর্জেন্টিনার নয়, পুরো মহাদেশের ফুটবলেও এই সংখ্যাটি তাকে অনন্য উচ্চতা দিয়েছে।
হাভিয়ের মাসচেরানো (১৪৭), আনহেল দি মারিয়া (১৪৫), হাভিয়ের জানেত্তি (১৪৫) এবং নিকোলাস ওতামেন্দি (১৩৯) এই তালিকায় মেসির পরে আছেন।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ ও গোল
২০২৬ বিশ্বকাপও মেসির ক্যারিয়ারে একাধিক অনন্য মাইলফলক যোগ করেছে। বিশ্বকাপের গোলসংখ্যায় কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে তার তীব্র লড়াই ছিল। এমবাপ্পে শেষ পর্যন্ত ২২ গোল নিয়ে এগিয়ে থাকলেও মেসির ২১ গোলই তাকে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসায়।
এই তালিকায় মেসির অনেক পেছনে আছেন গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (১০), গিয়ের্মো স্তাবিলে (৮) এবং দিয়েগো মারাদোনা (৮)। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মেসির দখলে। ৩৪ ম্যাচ নিয়ে সবার ওপরে তিনি। তার পেছনে থাকা ম্যারাডোনা ২১টি এবং মাসচেরানো ২০টি ম্যাচ খেলেছেন।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ গোল
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও মেসির নাম সবার ওপরে। এই প্রতিযোগিতায় তার গোলসংখ্যা ৩১, এই তালিকায় লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে আছেন তিনি।
তাদের পেছনে আছেন মার্সেলো মোরেনো মার্তিন্স (২২), আলেক্সিস সানচেজ (২০), এরনান ক্রেসপো (১৯) এবং এডিনসন কাভানি (১৭)।