উদ্বোধনের অপেক্ষায় ৪ মেরিন একাডেমি

মেরিন একাডেমি
চারটি মেরিন একাডেমি উদ্বোধন হচ্ছে  © লোগো

আগামী বৃহস্পতিবার (৬ মে) দেশে নতুন চারটি মেরিন একাডেমি উদ্বোধন হচ্ছে। পাশাপাশি এদিন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার অবকাঠামো ও জলযানেরও উদ্বোধন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন বলে আজ মঙ্গলবার (৪ মে) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসব অবকাঠামো এবং জলযান মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নৌ-খাতের উন্নয়নে ‘নতুন মাত্রা যোগ করবে’ বলে সরকার আশা করছে।

সমুদ্রগামী জাহাজে দেশের নাবিকদের চাকরির বিশাল সুযোগকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেটে নতুন এই চার মেরিন একাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। তাতে ব্যয় হয়েছে ৫২১ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা।

বছরে ৪০০ ক্যাডেটের পাশাপাশি সমুদ্রগামী মেরিনাররা বিভিন্ন ধাপে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন এসব একাডেমিতে।

প্রধানমন্ত্রী সেদিন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ- বিআইডব্লিউটিএ’র ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার; ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান এবং নারায়ণগঞ্জের ড্রেজার বেইজেরও উদ্বোধন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ২০টি ড্রেজার নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর বহরে ড্রেজারের সংখ্যা হবে ৪৫টি। এছাড়া আরও ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে তৈরি ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ শতাধিক নৌযান একসঙ্গে উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী সেদিন প্রশিক্ষণ জাহাজ ‘টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই), বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ ‘পরিদর্শী’ এবং বিআইডব্লিউটিসি’র উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’ এর উদ্বোধন করবেন।

মন্ত্রণালয় বলছে, বিআইডব্লিউটিসির বহরকে দক্ষ ও যুগোপযোগী করতে উপকূলীয় যাত্রীবাহী অত্যাধুনিক জাহাজ দুটি তৈরি করা হয়েছে। জাহাজ দুটি সন্দ্বীপ চ্যানেলের কুমিরা-গুপ্তছড়া এবং চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ-হাতিয়া-বরিশাল রুটে চলাচল করবে।

এর আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি বাঙালি’ ও ‘এমভি মধুমতি’র উদ্বোধন করেছিলেন।

বিআইডব্লিউটিসি’র আরও ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্রেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা বন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে অধিগ্রহণ করা জমির মালিকদের পুনর্বাসনে প্রাথমিক পর্যায়ে আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন ৫০০টি বাড়ি হস্তান্তর করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ৪২৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে।

তাদের জন্য জীবন ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


মন্তব্য

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ