৫ দফা দাবিতে মাভাবিপ্রবির পরিবহন অফিসে তালা, আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০২ PM
৫ দফা দাবিতে মাভাবিপ্রবির পরিবহন অফিসে তালা, আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

৫ দফা দাবিতে মাভাবিপ্রবির পরিবহন অফিসে তালা, আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা © টিডিসি ফটো

পরিবহন সেবায় সংকট বৃদ্ধি পাওয়ায় পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) পরিবহন অফিসে তালা দিয়েছেন মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর)  শিক্ষার্থীরা পরিবহন অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টার দিকে পরিবহন অফিসে তালা লাগিয়ে দেয় শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের সমস্যা চললেও সেগুলোর কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি। পর্যাপ্ত বাস ও চালকের অভাবে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। 

শিক্ষার্থীরা জানান, অনেক সময় বাসের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়, আবার অফডে ও অনডেতেও প্রয়োজনের তুলনায় বাসের সংখ্যা কম থাকায় যাতায়াতে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। পাশাপাশি কিছু চালকের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং অনেক বাসের জরাজীর্ণ অবস্থাও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

এসব সমস্যার সমাধান, পরিবহন পরিচালকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, পরিবহন ও ড্রাইভার সংকট দূর করা, চালকদের শিক্ষার্থীসুলভ আচরণ নিশ্চিত করা, অফডে ও অনডেতে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বাসগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা জানান তারা।

আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা বারবার পরিবহন সংকটের কথা জানিয়েছি, কিন্তু কোনো কার্যকর সমাধান পাইনি। প্রতিদিন ক্লাসে যাওয়া আবার টিউশানে আসা করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই আমরা পরিবহন অফিসে তালা দিয়েছি, যাতে প্রশাসন আমাদের সমস্যাগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমাদের দাবিগুলো কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার। আমরা নিরাপদ ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা চাই। দ্রুত দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন শাখা উপ-রেজিস্ট্রআর সৈয়দ মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ্ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রাইভার সংকটের কারণে বাস চলাচলে অসংগতি তৈরি হয়েছে। সরকারিভাবে বাস চালকদের গ্রেডিং সিস্টেম নির্ধারণ ও তদনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ভাতাদি থেকে বঞ্চিত বোধ করায় চালকরা নিজেদের কাজ নিয়ে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ের পর কেউ আর অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় কাজ করতে চান না। জরুরি ক্ষেত্র যেমন অ্যাম্বুলেন্স চালককে দিয়েও রাতের ট্রিপের বাস চালাতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে আবার জরুরি সেবা বিঘ্নিত হওয়ারও একটা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য আশ্বাস দিয়েছেন শীঘ্রই এ বিষয়ে কার্যকরী সমাধানের তাই আমরা আশাবাদী যে- এই সংকট নিরসনে প্রশাসন দ্রুত এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আন্দোলন মুখে শিক্ষার্থীদের পরিবহন সংক্রান্ত সকল দাবির সাথে একমত পোষণ করে আগামী শনিবার উপাচার্যের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ।

সাংবাদিক পেটানোর পরদিনই তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কলারশিপ নিয়ে পড়ুন দক্ষিণ কোরিয়ায়, আবেদন স্নাতকোত্তর-পিএই…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন ২২ মার্চ
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রাথমিকের নিয়োগপত্র ধাপে ধাপে পাবেন প্রার্থীরা, তবে...
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাউশির ৬১০ পদের ফল দ্রুত প্রকাশের দাবি, ডিসি কার্যালয়ে কার্…
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাফ প্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রো স্টেশনে ঢুকতে …
  • ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬