শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন © টিডিসি ছবি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মুহাঃ রফিকুল ইসলামের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুয়েট প্রশাসন। একই সঙ্গে হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন করেছে কুয়েট শিক্ষক সমিতি।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে কুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বিবৃতিতে হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, একজন সম্মানিত শিক্ষকের ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় প্রশাসন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
হামলার পরপরই কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
অন্যদিকে, শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বার বাংলা চত্বরে মানববন্ধন করে কুয়েট শিক্ষক সমিতি। মানববন্ধনটি পরিচালনা করেন কুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস ইনাম।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. এম.এম.এ. হাসেম, অধ্যাপক ড. রাজিয়া খাতুন এবং কুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হোসেন।
বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।