বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি। © ফাইল ফটো
দেশের প্রত্যেক জেলায় একটা করে টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট ও বৃহত্তর জেলায় গুলোতে একটা করে টেক্সটাইল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি। একটা টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় আছে, ভবিষ্যতে আরো করা হবে বলেও জনান তিনি।
রোববার দুপুরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে ‘সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশীয় বস্ত্রখাতে যেসব জনবল আছে তার অধিকাংশই আসে ভারত পাকিস্থান, শ্রীলংকার মত বাইরের দেশগুলো থেকে। তারা ডলারে যে পরিমাণ বেতন নিয়ে যায় তা বাংলাদেশের ৭ লক্ষ শ্রমিকের বেতনের সমান। ফলে দেশীয় অর্থ যেমন বাইরে চলে যাচ্ছে তেমনি দেশে দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে উঠছে না। সেজন্য বস্ত্রখাতে দক্ষতা অর্জনে দেশের প্রত্যেক জেলায় টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পাট খাতকে যুগোপযোগী করছি,। আমরা এখন আর রসি, ছালা, বস্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না। এখন পাট থেকে তৈরি হচ্ছে ২৮৫টি পণ্য । যা গত তিন বছর আগে ছিল মাত্র ৩৫টি। গৃহস্থালির সব পণ্য এখন পাট থেকে তৈরি হচ্ছে। পাট থেকে ১০২ ধরনের ফেব্রিক্স, ডেনিম তৈরি হচ্ছে। যা আগে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হত, আগামীতে তা আর করতে হবে না। বিশ্বের ১২০টি দেশে বাংলাদেশের পাট পণ্য রপ্তানি হয়, দিন দিন তা আরো বাড়ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাংসদ মুহিবুর রহমান মানিক, জয়া সেন গুপ্তা, মেয়াজ্জেম হোসেন রতন, শাহানা রব্বানী, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খান প্রমুখ। দক্ষিণ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ এলাকায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এই ইন্সটিটিউট নির্মাণ করছে।