কম্পিউটার অপারেটর থেকে শিক্ষা অফিসার, বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০১ PM
আ ন ম এহছানুল হক মিলন

আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৮২ জন কর্মচারীকে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (এটিইও) পদে পদোন্নতির বিষয়টি জানেন না শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ কথা জানান। কম্পিউটার অপারেটরদেরকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা করা হলে কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত হবে কিনা, এমন প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক।

এর জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই বিষয়ে তো আমরা কোনও কিছু জানি না, আপনি কোথা থেকে পেলেন এটা? কোন দপ্তর কোন দপ্তর থেকে হয়েছে?’ পরে বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, ‘সেটা কি হয়েছে আমাদের সেকেন্ডারিতে, কি হয়েছে এর মধ্যে, তো কোনও নলেজ আসেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ আপনারা যেহেতু আমাদেরকে এটা বলেছেন, আমাদের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল জানি না। কেন সেটা অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে কি হয়েছে, এটা আমরা ক্ষতিয়ে দেখব। এটাকে রিভিউ করতে হবে।’

সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী, হিসাবরক্ষক প্রভৃতি পদে কর্মরত ছিলেন পদোন্নতি পাওয়া এই ৮২ জন কর্মকর্তা। তাদের ১০ম গ্রেডে পদোন্নতি দিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।  

ভোলায় ৮৯০ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫০ হাজার
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় ৫ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকা …
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি প্রাথমিকে মিড ডে মিলে শিক্ষার্থীরা পেল ‘পঁচা’ বনরুটি
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদ
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়ন
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
close