© সংগৃহীত
চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক মনিরের বিরুদ্ধে বরিশালে ধর্ষণ মামলা দায়েরের পর থেকে পরিবারা নিয়ে এলাকা ছাড়া হয়েছেন ভুক্তভোগী তরুণী।
এই ঘটনায় রোবাবার (৩০ আগস্ট) সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী ও তার পরিবার।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে জানান, গত ২৫ আগস্ট মনিরের বিরুদ্ধে মামলা করার পর এসিড ছুড়ে ঝলসে দেয়াসহ অপহরণ করে লাশ গুম ও বাড়ি ঘরে আগুন দেয়ার হুমকী দিচ্ছে প্রধান আসামি ও তার সহযোগীরা। এমনকি মামলার সাক্ষীদেরও হত্যা সহ নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। যেন তারা আদালতে সাক্ষী না দেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে এইচএসসি পাস করে তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান এমদাদুল হক মনিরের (বর্তমানে চেয়ারম্যান) কাছে চাকরির জন্য যান ওই তরুণী। তাকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে প্রেম এবং পরে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে বিয়ে হয়েছে দাবি করে বরিশাল নগরীর আগরপুর রোডের একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। সম্প্রতি তাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করে চেয়ারম্যান মনির। এ ঘটনায় নির্যাতিতা নারী নিজে বাদী হয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।
চেয়ারম্যান মনিরের স্ত্রী’র স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আমির হোসেন আমুর সহায়তা চান নির্যাতিতা ওই তরুণী।