গ্রাফিক্স ছবি
১০ জন সাফাইকর্মী এবং চার শৌচকর্মীর পদে চাকরি পাওয়ার জন্য আবেদন পড়েছে মোট চার হাজার ৬০৭টি। এর মধ্যে বিরাট অংশই এমবিএ, এম টেক এবং বি টেক ইঞ্জিনিয়াররাও। এ ছাড়া ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যাও কম নয়। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। বিধানসভার এ পদগুলোর বিপরীতে গত বছরের আগস্টে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার।
সম্প্রতি সরকারের ওয়েবসাইটে পদপ্রার্থীদের যোগ্যতাসহ অ্যাডমিট কার্ড প্রকাশ করার পরই এ চিত্র সামনে এসেছে। চার হাজার ৬০৭ জন আবেদনকারীর মধ্যে ৬৭৭ জন পদপ্রার্থীর আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, ১৪টি শূন্য পদের জন্য এখন লড়বেন তিন হাজার ৯৩০ জন প্রার্থী। যে শূন্য পদগুলির জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে, তাতে মাসিক বেতন ১৫ হাজার ৭০০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। ভারতীয় গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।
অবশ্য তামিলনাড়ুর ঘটনাই প্রথম নয়, গত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসংস্থানের এমন শোচনীয় ছবি সামনে এসেছে। কিছু দিন আগেই উত্তরপ্রদেশে ৬২ পিওন পদের জন্য আবেদন করেছিলেন ৯৩হাজার জন। তারও আগে মহারাষ্ট্র সরকারের সচিবালয়ের ক্যান্টিনে ১৩ ওয়েটার পদের জন্য আবেদন করেছিলেন সাত হাজার জন।
গত ৪৫ বছরের মধ্যে ভারতে এখন বেকারত্বের হার সব থেকে বেশি। কিছু দিন আগেই ফাঁস হয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের এ সংক্রান্ত একটি গোপন রিপোর্টও। তারপরই এ রণের কর্মসংস্থানের তথ্য সামনে এল। বিধানসভার সচিবালয়ে ১৪টি পদে আবেদন করার জন্য যোগ্যতা হিসেবে রাখা হয়েছিল ভাল শারীরিক স্বাস্থ্য, বয়স হতে হবে ১৮ বছরের বেশি। শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনও মাপকাঠি রাখা না হলেও আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন এমবিএ, এম-টেক, বিই, বি-টেক পদপ্রার্থী। এছাড়া বিজ্ঞান, কলা এবং বাণিজ্য শাখার ডিগ্রিধারীর সংখ্যাও কম নয়।