সরকারি চাকুরেদের আবাসন সুবিধা বাড়ছে

১৮ অক্টোবর ২০১৮, ১১:০৯ AM

© ফাইল ফটো

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।  এসব উদ্যোগকে সফল করতে বর্তমানে বেশ কিছু প্রকল্প চালু রয়েছে। এগুলোর কাজ শেষ হলে শুধুমাত্র রাজধানীতেই দেড় লাখ সরকারী কর্মচারী আবসিক সুবিধার আওতায় আসবেন। এই সুবিধার পরিমাণ গত ১০ বছরে আট ভাগ থেকে ২৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে।

ইতোমধ্যে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য ২৩টি প্রকল্পের আওতায় ৯ হাজার ৭০২টি ফ্লাট নির্মাণ করা হয়েছে। বিচারপতি, জাতীয় সংসদ ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারী, আজিমপুর এবং মতিঝিলে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মোট ১ হাজার ৫১২টি ফ্লাট নির্মাণ শেষ হয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবন গুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন  বলেন, সরকারী কর্মচারীদের আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রাজধানী ঢাকা ছাড়াও জেলা পর্যায়ে অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন প্রকল্পের ভবন নির্মাণে সবকিছুই করা হয়েছে নিজস্ব প্রকৌশলীদের মাধ্যমে। ভবনগুলো নির্মাণে পরিবেশগত দিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিএনবিসি কোড অনুযায়ী কাঠামোগত নক্সা, ভূমিকম্প প্রতিরোধ ক্ষমতা, সোলার প্যানেল স্থাপন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিদ্যুত ও পানির বিকল্প উৎস তৈরি করা হয়েছে। বড় বড় স্থাপনাগুলোতে সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, এসটিপির ব্যবস্থা রয়েছে। রাজধানীর রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, চন্দ্রিমা উদ্যানের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য একটি মাস্টার প্লান তৈরি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত জাম্বুরি পার্ক। বঙ্গভবন, জাতীয় সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সুপ্রীম কোর্ট, সচিবালয়সহ জেলা পর্যায়ে সরকারী ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের পাশাপাশি নতুন নতুন ভবন নির্মাণে প্রকল্প গ্রহণ হাতে নেয়া হয়েছে। সারাদেশে সরকারী অফিস, কর্মকর্তা কর্মচারীদের আবাসনের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর বাইরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মাগুরায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণ শেষে উদ্বোধন করা হয়েছে। ডিসেম্বরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে নওগাঁ, ভোলা, মাদারীপুর, চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী, বাগেরহাট, মুন্সীগঞ্জেরগুলো। কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালও উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। ৩০টি মন্ত্রনালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন, শিল্পকলা ও পাবলিক লাইব্রেরি ভবন, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ফায়ার স্টেশন, থানা, পুলিশ ও আনসারের বিভিন্ন অবকাঠামো, উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি ভবনসহ বিভিন্ন বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজের বাস্তবায়নে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলে। আগে ভূমি অফিসগুলো টিনের ঘর ছিল। বর্তমানে ওই ঘরগুলো ভেঙ্গে দুই তলা ভবন করা হচ্ছে। ফলে সরকারের উন্নয়ন কাজ গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

অনার্স পর্যন্ত নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার ঘোষণা প্রধা…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ আটক
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
এসএসসির ফলের পর ১০ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, সরকারকে ৮ পদক্ষেপ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ৫ লাখ টাকা লুটের অ…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
পুলিশের ধাওয়ায় মাইক্রোবাস ফেলে পালাল মাদক কারবারি, ভেতরে মি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করল ৩ বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage