৬ মাসের কম বয়সী শিশুর খাবারে চিনি নিষিদ্ধ করল ভারতীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা

২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ AM
শিশু খাদ্য

শিশু খাদ্য © টিডিসি ফটো

ছয় মাসের কম বয়সী শিশুর জন্য তৈরি খাবারে চিনি, ফ্রুক্টোজ বা সুক্রোজ মেশানো যাবে না বলে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা ও গুণমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এফএসএসএআই)। শিশুদের খাবারে অতিরিক্ত শর্করা গ্রহণের ঝুঁকি কমাতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের বেবি ফুডে চিনি মেশানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা ছিল। নতুন নির্দেশনায় সেই সীমা কমিয়ে ছয় মাস করা হয়েছে।

জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুর জন্য মায়ের দুধই সবচেয়ে উপযুক্ত খাবার। এ সময়ে মায়ের দুধ ছাড়া অন্য খাবার, এমনকি পানিও দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। ছয় মাস পূর্ণ হলে শিশুকে ধীরে ধীরে বাড়তি খাবারে অভ্যস্ত করতে হয়। তবে এসব খাবারে আলাদা করে চিনি, মধু বা গুড়ের মতো মিষ্টি উপাদান যোগ করা উচিত নয়।

শিশুদের জন্য বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন প্যাকেটজাত খাবারে চিনি মেশানোর অভিযোগ আগেও উঠেছে। এ নিয়ে কয়েকটি ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়েছে। এবার এফএসএসএআইয়ের নতুন নির্দেশনায় ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য তৈরি খাবারে কোনো ধরনের চিনি ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়নি। নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব খাবারে সাধারণ চিনির পাশাপাশি ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজও থাকতে পারবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মের প্রথম ছয় মাস শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে খাবারে মিষ্টি স্বাদ যোগ করার প্রয়োজন নেই। বরং অল্প বয়স থেকেই অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত খাবারে অভ্যস্ত হলে শিশুর ভবিষ্যৎ খাদ্যাভ্যাসে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

শিশুর খাবারে অতিরিক্ত চিনি থাকলে ভবিষ্যতে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ কারণে শিশুর খাদ্যতালিকায় অপ্রয়োজনীয় চিনি ও অন্যান্য মিষ্টি উপাদান যোগ না করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। প্রথম ছয় মাস মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

ছয় মাস বয়সের পর শিশুকে ধীরে ধীরে ভাত, ডাল, মাছ ও বিভিন্ন ধরনের ফলসহ উপযুক্ত বাড়তি খাবার দেওয়া যায়। তবে এসব খাবারে আলাদা করে চিনি মেশানো উচিত নয়। মধু ও গুড়ের মতো প্রাকৃতিক মিষ্টি উপাদানও শিশুর খাবারে যোগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ প্রাকৃতিক উৎস থেকে এলেও এগুলোতে শর্করা থাকে।

তবে ফলের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে থাকা শর্করা এবং খাবারে আলাদা করে যোগ করা চিনির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর শিশুকে বয়স উপযোগী ফল দেওয়া যেতে পারে। ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শিশুর স্বাভাবিক খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। তাই শিশুর জন্য বাড়তি খাবার তৈরির সময় চিনি বা মিষ্টি উপাদান যোগ না করে পুষ্টিকর ও বয়স উপযোগী খাবার বেছে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

৪ কোর্সে প্রশিক্ষণ দেবে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদাবাজির অভিযোগে মোহাম্মদপুরের ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি গ্রেপ…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ব্যালন ডি’অরে সবচেয়ে সফল মেসির আর্জেন্টিনা, রোনালদোর পর্তুগ…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসায় প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি হোক, নিরপরাধ কেউ যেন ফেঁসে…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
রাতে ব্যালন ডি’অরের জমকালো অনুষ্ঠান, মোবাইলে দেখবেন যেভাবে
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জনবল নিয়োগ, আব…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬