দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ ঘোষণা © টিডিসি ছবি
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার। এবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে ২৪ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। জনপথ ও কর্তব্য পথ এলাকার চার কিলোমিটারের মধ্যে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হয়ে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ১০টা পর্যন্ত বহাল থাকার কথা। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় দিল্লির কনট প্লেস, মান্ডি হাউস, প্রগতি ময়দান ও খান মার্কেটের মতো ব্যস্ত এলাকাগুলোতে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে।
তবে নিরাপত্তার স্বার্থে জনজীবন এভাবে ব্যাহত করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়ম ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যেতে পারে। কিন্তু সে কারণে সবকিছু পুরোপুরি বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলা যায় না। তরুণ থেকে বয়স্ক—সবারই চলাচল ও মৌলিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছে আদালত।
সুপ্রিম কোর্টের আপত্তির পর সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞাগুলো পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে আরও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে শহরের প্রায় ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে রাজধানীতে আসা ৬০টির বেশি ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল।