৪ বার নোটিশেও হল ছাড়েননি অবৈধভাবে সিটে থাকা ছাত্রদল নেতা

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ AM
শামসুজ্জোহা হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ার।

শামসুজ্জোহা হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ার। © টিডিসি ছবি

নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহা হলে অবৈধভাবে অবস্থানের অভিযোগ উঠেছে হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে। তাকে হল থেকে নামাতে চারবার চেষ্টা করেও সফল হননি বলে জানিয়েছেন হলের প্রভোস্ট।

সবুজ শাহরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় এক বছর আগে তার নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তবে এখনও তিনি শহীদ শামসুজ্জোহা হলে অবস্থান করছেন।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত শিক্ষার্থী না হওয়ায় তাকে হল ছাড়ার জন্য একাধিকবার বলা হয়েছে। তবে কয়েক দফা চেষ্টা করেও তাকে হল থেকে সরানো সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সবুজ শাহরিয়ার বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী নই। তবে যে বিভাগে পড়াশোনা করেছি, সেখানে ল্যাবে গবেষণার কাজ করতে অনেক সময় লাগে এবং প্রায়ই দেরি হয়। এ কারণে শহীদ শামসুজ্জোহা হলে আমার এক বন্ধুর রুমে বেড শেয়ার করে থাকি। ভালো বাসা ও সুযোগ-সুবিধা পেলে আমি হল ছেড়ে চলে যাব।

হলে অবস্থানের বৈধতা নিয়ে তিনি বলেন, আমি হল প্রভোস্টকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং প্রভোস্টের অনুমতি নিয়েই হলে অবস্থান করছি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, শাহরিয়ার আমাকে জানিয়েছিল, সে ১৭১ নম্বর কক্ষ ছেড়ে দিয়েছে। এখন সে মাঝে-মধ্যে তার ভাইয়ের কাছে যায়। তবে সে কারও সিটে অবস্থান করে না।

এ বিষয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সহসভাপতি (ভিপি) আশিকুর রহমান সোহাগ বলেন, রাকসু নির্বাচনের তিন-চার মাস পর থেকে হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ শাহরিয়ার নিয়মিত হলে থাকা শুরু করেন। তখন কয়েকজন শিক্ষার্থী আমাদের কাছে অভিযোগ করেন—তার তো ফলাফল হয়ে গেছে এবং শিক্ষাজীবনও শেষ হয়েছে, তাহলে তিনি কীভাবে হলে অবস্থান করছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা কয়েকবার হল প্রশাসনকে জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমাদের জানানো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, হল প্রভোস্ট এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়ে আমরা এখনো কিছু জানি না।

অবৈধভাবে হলে অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আল-আমিন সরকার বলেন, দেড় বছর আগেই তার সিট বাতিল করা হয়েছে এবং সে হল ছেড়ে চলে গিয়েছিল। কিন্তু গত চার-পাঁচ মাস ধরে আবার হলে অবস্থান করছে। সে জানিয়েছিল বিসিএস পরীক্ষা সামনে থাকায় তাকে হলে থাকতে হবে। আমি এ পর্যন্ত তিন-চারবার তাকে হল ছেড়ে যেতে বলেছি। কিন্তু সে হলেই অবস্থান করছে।

তিনি আরও বলেন,আমরা আগামীকাল তাকে আবারও অফিসিয়াল চিঠি দেবো। এরপরও সে হল না ছাড়লে প্রক্টর দপ্তরের সহযোগিতা নেব। একটা বিষয়েরও তো শেষ আছে, এরপর আর সম্ভব নয়।

২৮ দেশের ৫০০ তরুণ নিয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক যুব জলবায়ু সম্মেলন, …
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
স্কলারশিপে স্নাতকোত্তরের সুযোগ সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বিইউএফটিতে জাতীয় উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সকালে ছিল ৩১৫০, বিকেলে হলো ৪৫৭০ টাকা: ফরম পূরণের ফি নিয়ে কা…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
১২ দিনের ব্যবধানে ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার থানাটিতে
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
আইএলটি-টোয়েন্টির সূচি প্রকাশ
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬