ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার দলীয় লোক নিয়োগের এজেন্ডা হাতে নিয়েছে: শিবির সভাপতি 

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম © টিডিসি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, চাকরি পরীক্ষায় মোখিক নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার নিজের দলীয় লোক নিয়োগের এজেন্ডা হাতে নিয়েছে। যদি সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে বিরত না থাকে তাহলে আবারও আন্দোলন শুরু হবে। শতভাগ মেধার ভিত্তিতেই একটি দেশ গড়ে উঠবে এবং মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের নিতে হবে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, পিএসসি সংস্কার করতে হবে, নির্বাচন কমিশন সংস্কার করতে হবে, মহাহিসাব নিরীক্ষকের ওই জায়গাটা সংস্কার করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক স্ট্রাকচারগুলোকে সংস্কার করতে হবে। পিএসসির গঠনমূলক সব সংস্কার করতে হবে। জুলাইয়ের অন্যতম দাবি ছিল সাংবিধানিক সব কাঠামো সংস্কার করা।   

তিনি বলেন, ‘সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার কমিটিতে শপথ নিতে হবে জামায়াত ইসলাম শপথ নিয়েছে কিন্তু তারা (বিএনপি) শপথ নেন নিই। আপনারা মনে করছেন তরুণ প্রজন্ম কিছুই বুঝে না, তারা এমনি এমনি জুলাই বিপ্লব করেছে। সরকারকে অনুরোধ জানাই বর্তমান প্রজন্মকে দুর্বল মনে করবেন না, আমাদের মেধাকে নষ্ট করবেন না।  বিশ্ববিদ্যালয় যে আন্দোলন করেছে সে আন্দোলনের কারণেই আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন।’

শিবির সভাপতি বলেন, এলাকায় এলাকায় রাস্তাঘাটে বিশ্ববিদ্যালয় বানানো হচ্ছে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের শতভাগ থাকার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে না। যে বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রদের থাকা জায়গায় আনতে পারে না, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের থাকার নৈতিক কোনো অধিকার নেই।

আরও পড়ুন: রিপিট ক্যাডার বন্ধ, শিক্ষা ক্যাডারের শূন্য পদ যুক্তসহ তিন দাবি ৫০তম বিসিএস প্রার্থীদের

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিয়ে নুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা এত কষ্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় তার থাকার সিটের বন্দোবস্ত করতে পারে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী হলে থাকতে পারে আর ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী বাহিরে থাকে। এই ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর থাকার বন্দোবস্ত বিশ্ববিদ্যালয় করতে পারেনি।

তিনি বলেন, পিএসসিতে হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট দেওয়া হয় অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয় না। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় করা শিখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে বলতে হবে আগামী ২ বছরের মধ্যে শতভাগ আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।  

শিবির সভাপতি বলেন, শিক্ষার্থীরা জুলাইয়ের পরে এসে সব গণরুম ভেঙে দিয়ে চুরমার করে ফেলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণরুম ভেঙে দিয়ে ছোট ছোট সিট করে দেওয়া হয়েছে। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখন মেধার ভিত্তিতে সিট পাচ্ছে। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, প্রায় ৪ হাজার নিবন্ধিত নবীন শিক্ষার্থীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

বিএইউএসটিতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার নিয়োগ দেবে ডিবিএল গ্রুপ, আবেদন ২৫ নভ…
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
যাত্রাবাড়ীতে পিটিয়ে ও গুলি করে দুইজনকে হত্যা
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সাগর বাঁচাতে বর্জ্য গায়ে সৈকতে ১২ স্বেচ্ছাসেবী
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন তাওহীদ হৃদয়
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬
একক সংখ্যগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল, চলছে ভোটগণনা
  • ২৮ অক্টোবর ২০২৬