আইপিএল ইতিহাসে বিরল রেকর্ড, দল পেলেন ১৩ বছরের বৈভব 

২৬ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:৩৬ AM , আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৫, ০৮:২১ PM
বৈভব সূর্যবংশি

বৈভব সূর্যবংশি © সংগৃহীত

বিশ্বের বাঘা বাঘা অনেক ক্রিকেটার যখন দল পাননি, আইপিএল নিলামে কেউ কেনেনি, তখন ১৩ বছরের ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশিকে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করল রাজস্থান রয়্যালস। এর মধ্য দিয়ে বিরল রেকর্ড গড়লেন ভারতের এই কিশোর বাঁহাতি ব্যাটার। দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে লড়াই করে ১ কোটি ১০ লাখ রুপিতে তাকে কেনে রাজস্থান রয়্যালস।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) জেদ্দায় আইপিএলের দুইদিনব্যাপি মেগা নিলামে ইতিহাস গড়েছেন ১৩ বছর ২৪৩ দিন বয়সী বৈভব। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় দল পাওয়া সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার এখন তিনি। তার ভিত্তিমূল্য ছিল ৩০ লাখ। তাকে পেতে দারুণ লড়াই চলে দিল্লি ও রাজস্থানের মধ্যে। শেষমেশ কোটি রুপি ছাড়িয়ে তাকে দলে টানে রাজস্থান।

বৈভবকে নিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় চর্চা অবশ্য আরও আগেই শুরু হয়েছে। গত জানুয়ারিতে পাটনায় রঞ্জি ট্রফিতে বিহারের হয়ে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে তার। সেসময় বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছিল, বৈভবের অফিসিয়াল বয়স ১২ বছর ২৮৪ দিন।

বয়সভিত্তিক পর্যায়ে অবশ্য এরই মধ্যে নজরকাড়া পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন বৈভব। গত অক্টোবরে চেন্নাইয়ে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে যুব টেস্টে সেঞ্চুরি করেন তিনি। সেদিন তার বয়স ছিল ১৩ বছর ১৮৮ দিন। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন বৈভব।

শুধু তাই নয়, যুব টেস্টের ইতিহাসে বৈভবের ওই সেঞ্চুরি ছিল দ্বিতীয় দ্রুততম। বাউন্ডারির ফুলঝুরি ছুটিয়ে মাত্র ৫৮ বলে শতরানের স্বাদ নেন তিনি। দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড মঈন আলীর দখলে। ২০০৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে সাবেক ইংলিশ অলরাউন্ডারের শতক এসেছিল ৫৬ বলে।

সকালে যে আমল করলে সারাদিন বরকতময় হয়
  • ১৪ মে ২০২৬
দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্র…
  • ১৪ মে ২০২৬
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি বামপ…
  • ১৪ মে ২০২৬
পাহাড়ে নিয়ে স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, অপরজনের শ্লীলতা…
  • ১৪ মে ২০২৬
ঢাবিতে ভর্তি হতে গিয়ে কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেছিলেন প্রধানমন্ত্…
  • ১৪ মে ২০২৬
তারেক রহমান ঢাবিতে পড়ছেন— ওই সময়েই জানতেন ড. আসিফ নজরুল
  • ১৪ মে ২০২৬