দিনটি সিলেটের ছিল না: মাশরাফি

কুমিল্লা
  © ফাইল ফটো

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) যাত্রা শুরুর পর বিগত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্যের দেখা পায়নি সিলেট। এর আগে ২০১৩ সালে একবার খেলতে পেরেছিল প্লে অফ, যা ছিল সিলেট যা সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জন্য সর্বোচ্চ সাফল্য। তবে এবছর মাশরাফির নেতৃত্বে যেন হাওয়ায় উড়ছিল টিমটি। একের পর এক সাফল্যের স্মারক রেখে আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) ফাইনালে কুমিল্লার বিপক্ষে নামে শিরোপার লড়াইয়ে।

সিলেটের স্মরণীয় ম্যাচের দিনে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার সামনেও ছিল ইতিহাস গড়ার হাতছানি। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) মঞ্চে পঞ্চম শিরোপা উঁচিয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল তাঁর। বিপিএলের মঞ্চে একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে রেকর্ড গড়তেন আলাদা চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে শিরোপা জেতার।

এছাড়া, এই ম্যাচটি ছিল অধিনায়ক মাশরাফীর জন্য বিপিএলের মঞ্চে নিজের শততম অধিনায়কত্ব করার ম্যাচ। তাই এই ম্যাচে শিরোপা জিতলে আরও রঙিন হয়ে উঠতো তার অর্জনের খাতা। কিন্তু শেষপর্যন্ত পারলেন না মাশরাফী।

রুবেল হোসেন কুমিল্লার জনসন চার্লসের ক্যাচ মিসের পর এক ওভারে ২৩ রান দিয়ে ম্যাচটাই হারিয়ে দিয়েছেন। শিরোপা হারিয়ে হতাশ হয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফীও। যদিও কাউকে দায় না দিয়ে মাশরাফী বলেছেন, দিনটি সিলেটের ছিল না বলেই শিরোপা জেতা হয়নি।

শিরোপা হারানোর পর মাশরাফী বলেন, 'দিনটি আমাদের ছিল না। কিন্তু দলের সবাই নিজেদের শতভাগ দিয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং সবাই নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। হ্যাঁ, ড্রপ ক্যাচ আমাদের ভুগিয়েছে। এছাড়াও প্রয়োজনের সময় আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি। এমনকি মাঝের ওভারে আমরা টানা ২-৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছি। যার জন্য আমাদের ১০-১৫ রান কম হয়েছে।'

উল্লেখ্য, এবারের বিপিএলে সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ফাইনালের সেরা প্লেয়ার হয়েছেন জনসন চার্লস। এ ছাড়াও টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন যথাক্রমে কুমিল্লার তানভীর ইসলাম এবং রংপুর রাইডার্সের হাসান মাহমুদ। দুজনেই সমান ১৭টি উইকেট করে সংগ্রহ করেছেন।


সর্বশেষ সংবাদ